ভুলে যান দুবাই এবার কলকাতায় টানেল অ্যাকোরিয়াম সস্তায় দেখুন আন্ডারওয়াটার জু

23rd November 2023 6:22 pm Country News
ভুলে যান দুবাই এবার কলকাতায় টানেল অ্যাকোরিয়াম সস্তায় দেখুন আন্ডারওয়াটার জু


শীতের (Winter) দুপুরে বা বিকেলে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার মজাই আলাদা। সেইসঙ্গে সঙ্গী যদি হয় মিঠে রোদ তাহলে তো কোনও কথাই হয় না জাস্ট। রাজ্যের (West Bengal) আকাশ বাতাস জানান দিচ্ছে যে শীত আসন্ন। এমনিতেই বিভিন্ন জায়গায় ঠান্ডার আমেজ পড়তে শুরু করে দিয়েছে। কলকাতা তো বটেই বাংলার বহু জেলাতে মানুষ ইতিমধ্যে ঠাণ্ডায় জুবুথুবু হয়ে যাচ্ছেন।শীতকাল পড়লেই ভ্রমণপ্রিয় বাঙালিরা কোথাও না কোথাও একটু সুযোগ পেলেই ঘুরতে চলে যান। শীতকালে অনেকেই আছেন যারা বাইরে ঘুরতে যান আবার অনেকেই আছেন যারা কলকাতা (Kolkata) ও তার আশেপাশের জায়গাগুলিতে ঢুঁ মারেন। শীত এলেই গোটা কলকাতা শহরে কিছু বিখ্যাত জায়গা যেমন নিকো পার্ক থেকে শুরু করে সায়েন্স সিটি, চিড়িয়াখানা, ইকো পার্ক একপ্রকার লোক সমাগমে গমগম করতে থাকে। অনেকেই আছেন যারা পিকনিকের মুডে মেতে ওঠেন। তবে এবারের শীতকালটা শহরবাসীর একটু অন্যরকমভাবে কাটতে চলেছে বলে খবর। কারণ কলকাতায় একটি আকর্ষণীয় জিনিস ঘটতে চলেছে। এতদিন এই আকর্ষণীয় জিনিস দেখতে মানুষ বিদেশে ছুটে জেতেন। কিন্তু এখন তা কলকাতাতেই দেখা যাবে। তার জন্য আপনাকে পার্ক সার্কাস (Park Circus)যেতে হবে। এখন নিশ্চয়ই ভাবছেন ব্যাপারটা কী? এবার পার্ক সার্কাস ময়দানে তৈরি করা হয়েছে টানেল অ্যাকোরিয়াম (tunnel aquarium) । ঠিক দুবাইয়ের (Dubai) আদলে এই জিনিসটি করা হয়েছে। পার্ক সার্কাস ময়দানের একটি বিরাট অংশ জুড়ে এই জিনিসটি তৈরি করা হয়েছে। ছোটরা তো আছেই, বড়রাও এর আনন্দ নিতে পারবেন। এই ট্যাংকের মধ্যে ভাসছে রঙিন মাছ। জানা গিয়েছে, আপাতত ২৭ নভেম্বর অবধি এই অ্যাকোরিয়ামটি দেখতে পারবেন আপনারা। আপনি এখানে এলে দেখতে পারবেন, বিশাল ট্যাংকের মধ্যে ভাসছে রঙিন মাছ । আর এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে পার্ক সার্কাসের উদ্দীপনি ক্লাবের তরফে। এই বিষয়ে ক্লাবের সভাপতি গৌরব বাড়ি ধাওয়ান জানান, দুবাই বা সিঙ্গাপুরে এই ধরনের অ্যাকোরিয়াম দেখে তাঁর মনে হয়েছিল, পার্ক সার্কাস ময়দানে এমন কিছু করা যায় কি না ? তখন থেকেই তিনি বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিয়ে কাজ শুরু করেন । জানতে পারেন, কেরলের নীল এন্টারটেনমেন্ট নামক একটি বেসরকারি সংস্থা এই ধরনের শো করে ।

 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।