শীতের আমেজ গায়ে মেখে ঘুরে আসুন দক্ষিণবঙ্গের পাহাড়-জঙ্গলে ঘেরা এই জায়গায়

19th November 2023 9:12 pm Country News
শীতের আমেজ গায়ে মেখে ঘুরে আসুন দক্ষিণবঙ্গের পাহাড়-জঙ্গলে ঘেরা এই জায়গায়


শীত পড়তে শুরু করলেই বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রামে পর্যটকদের সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। এই সময় সুন্দরী হয়ে ওঠে দক্ষিণবঙ্গের জঙ্গলমহল। বিশেষ করে পুরুিলয়া। মালভূিমর সৌন্দর্য বরাবরই বাঙালির মন জয় করেছে। সে রবীন্দ্রনাথই হোক আর বিভূতিভূষণই হোক।এই মালভূমির সৌন্দর্য উপভোগ করতেই শীত পড়লেই বাঙালি পর্যটকরা ভিড় করেন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম।তিন জেলাতেই দেখার জিনিসের অভাব নেই। প্রকৃতির একেক রূপ এখানে উপভোগ করা যায়। তবে পুরুলিয়ার জনপ্রিয়তাটা একটু বেশি। পুরুলিয়ায় অযোধ্যা পাহাড়ের পাশাপাসি একাধিক পাহাড় রয়েছে। তারমধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা মুরুগুমা।Travel: চা-বাগানে ঘেরা অফবিট দার্জিলিং, ঘুরে আসুন মিলন বস্তি গাড়িতেই পুরুলিয়া আসা যায়। তাই কলকাতা থেকে আসতেও খুব একটা সময় লাগে না। অযোধ্যা পাহাড় দেখে পরের দিন গাড়ি নিয়ে বেড়িয়ে পড়ুন মুরুগুমার পথে। অযোধ্যা থেকে মুরুগুমার দূরত্ব ১৮ কিলোমিটার। খুব বেশি হলে ১ ঘণ্টা সময় লাগে সেখানে পৌঁছতে। কাজেই অনেকটা সময় পাওয়া যায় এখানে বেড়ানোর।ঝালদা-বেগুনকোদর হয়ে মুরুগুমা যাওয়া যায়। তবে তার দূরত্ব বেশি। তবে অযোধ্যা পাহাড় দিয়ে গেলে এখানকার সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে দেখা যায়। মুরুগুমায় থাকার জায়গার অভাব নেই। সেখানে রিসর্ট থেকে গেস্ট হাউস সবই রয়েছে। এই জলাধারের উপরে গাড়ি নিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা সবচেয়ে ভাল। অসাধারণ লাগে এই রাস্তার উপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে যেতে।তবে মুরুগুমায় থাকতে হলে আগে থেকে বুক করে আসা ভাল। কারণ সপ্তাহান্তের ছুটিতে এখানে কোনও হোটেল রিসর্ট ফাঁকা থাকে না। মুরুগুমা জলাধারে সূর্যাস্তের সৌন্দর্য সবচেয়ে ভাল। সেকারণে এখানে একদিন থেকে যাওয়াই ভাল। আবার পরের দিন সকালেই সানরাইজ দেখা য়ায়।

 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।