কুকুর কামড়ালে প্রতিটি দাঁতের চিহ্নের জন্য মিলবে ১০ হাজার টাকা বড় রায় দিল হাইকোর্ট

15th November 2023 10:43 am Country News
কুকুর কামড়ালে প্রতিটি দাঁতের চিহ্নের জন্য মিলবে ১০ হাজার টাকা বড় রায় দিল হাইকোর্ট


রোজই দেশের কোনও কোনও এক স্থানে কেউ না কেউ রাস্তার কুকুরদের (Street Dogs) আক্রমণে ঘায়েল হন। ইদানিং এই ঘটনা এতটাই বেড়েছে যে তা পৌঁছে গেছে কোর্ট (High Court) অবধি। আর এবার এই বিষয়ে বড় রায় দিল আদালত। সম্প্রতি হরিয়ানা ও পাঞ্জাব হাইকোর্টে বলা হয়েছে, রাস্তার কুকুর কাউকে কামড়ালে তার প্রতিটি দাগের জন্য সরকারকে ১০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।এখানেই শেষ নয়, এইদিনের শুনানিতে বলা হয়েছে দাঁতের দাগের পাশাপাশি 0.2 সেন্টিমিটার মাংস বেরিয়ে এলে সেক্ষেত্রে কমপক্ষে ২০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এই সংক্রান্ত মোট ১৯৩টি মামলার শুনানিকালে এই আদেশ দিয়েছে সরকার। উল্লেখ্য, গত কয়েকবছরে গোটা দেশজুড়েই রাস্তার কুকুরদের হামলা এত বেড়েছে যে, এটি এখন একটি বিশেষ চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।কিছুদিন আগেই বিখ্যাত চা কোম্পানি ওয়াঘ বাকরির সিইও পরাগ দেশাই একটি কুকুরের আক্রমণের শিকার হন । সেখান থেকে পালানোর চেষ্টাকালে তিনি পড়ে যান এবং হাসপাতালে চিকিত্‍সাধীন অবস্থায় মারা যান। এছাড়াও গাজিয়াবাদে এক শিশু কুকুরের কামড়ে মারা যায়। এমতাবস্থায় নেটিজনদের একাংশ দাবি করছে, এহেন হামলা রুখতে সবরকম পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে। অপরদিকে কিছু মানুষ আবার তার বিরোধিতাও করছে।সম্প্রতি এই বিষয়ে মামলার শুনানির সময় বেঞ্চ বলেছিল, 'এ ধরনের ক্ষেত্রে প্রশাসনকে জবাবদিহি করতে হবে।' ইতিমধ্যেই পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং চণ্ডীগড়কে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। উল্লেখ্য, এইসব প্রাণীর মধ্যে রয়েছে গরু, ষাঁড়, নীলগাই, গাধা, কুকুর, মহিষ এবং অন্যান্য প্রাণী। হাইকোর্টের নির্দেশ, কমিটিতে জেলা প্রশাসক, এসডিএ, ট্রাফিক পুলিশের এসপি বা ডিএসপির মতো কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।