শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে এক নতুন মানদণ্ড তৈরি করাই লক্ষ্য; মুম্বইয়ে প্রতিষ্ঠিত হল নীতা মুকেশ আম্বানি জুনিয়র স্কুল

2nd November 2023 1:20 pm Country News
শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে এক নতুন মানদণ্ড তৈরি করাই লক্ষ্য; মুম্বইয়ে প্রতিষ্ঠিত হল নীতা মুকেশ আম্বানি জুনিয়র স্কুল


এক নয়া শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠান উন্মোচনের সাক্ষী রইল বাণিজ্যনগরী মুম্বই। বুধবার অর্থাত্‍ ১ নভেম্বর চালু হল নীতা মুকেশ আম্বানি জুনিয়র স্কুলের (এনএমএজেএস)। আর এই স্কুলটি শিক্ষাদান এবং শেখার দৃষ্টান্তগুলিকে পুনরায় সংজ্ঞায়িত করতে সম্পূর্ণ ভাবে প্রস্তুত।বান্দ্রা-কুরলা কমপ্লেক্সের ধীরুভাই আম্বানি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল (ডিএআইএস) ক্যাম্পাসের ঠিক পাশেই তৈরি করা হয়েছে নতুন এই স্কুলটি।যেটাকে একটি অত্যাধুনিক ক্যাম্পাস হিসেবেই ডিজাইন করা হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, এখানে পড়ুয়ারা পেয়ে যাবে নমনীয় শিক্ষার সুবিধা। এর পাশাপাশি ছোট ও বড় দলে ভাগ হয়ে কোল্যাবোরেশন এবং কাজ করার সুবিধাও মিলবে এই নয়া স্কুলে।শ্রেষ্ঠত্বের এই যাত্রাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রস্তুত এনএমএজেএস। যা ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ডিএআইএস নীতা আম্বানির দূরদর্শী নেতৃত্বের জোরে ইতিমধ্যেই অতিক্রম করেছে। নীতা আম্বানি আসলে মন থেকে একজন শিক্ষিকা এবং শিক্ষাবিদ। ফলে একজন প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারপার্সন হিসেবে নীতা আম্বানি অসাধারণ আবেগ এবং অঙ্গীকারের মাধ্যমে মাত্র ২০ বছরের মধ্যে ডিএআইএস-কে বিশ্বের সেরা বিদ্যালয়গুলির মধ্যে অন্যতম করে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। এমনকী আজ ডিএআইএস ভারতের ১ নম্বর ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের তকমা লাভ করেছে। সেই সঙ্গে বিশ্বের সেরা ২০টি আইবি স্কুলের তালিকাতেও স্থান করে নিয়েছে ডিএআইএস।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।