১১ বছর আগেই নির্ধারিত হয়ে গেল ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজকের নাম

1st November 2023 11:11 am Country News
১১ বছর আগেই নির্ধারিত হয়ে গেল ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজকের নাম


গত কয়েক বছরে এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দেশ হিসাবে উঠে এসেছে সৌদি আরব। কাতার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে একমাত্র তারাই হারিয়েছে। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর মতো তারকা সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসেরে খেলেন।১১ বছর পর এই দেশেই সম্ভবত হতে চলেছে বিশ্বকাপ।২০৩৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য সৌদির সাথে বিডে নামতে চেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু আজ মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়া এক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, তারা বিড থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে।ফুটবল অস্ট্রেলিয়া বলেছে, '২০৩৪ সালের বিশ্বকাপ পাওয়ার জন্য আমরা বিডে অংশ নিচ্ছি না। এই বিষয়ে আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছে গেছি।' তারা বিড থেকে সরে আসায় সৌদিই এখন পেতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ হবে মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায়। এরপর ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ আয়োজনের স্বত্ত্ব পেয়েছে মরক্কো, স্পেন ও পর্তুগাল। ওই হিসেবে ২০৩৪ সালের বিশ্বকাপ এশিয়া ও ওশেনিয়া মহাদেশে হবে বলে জানিয়েছিল ফিফা।'ভিশন ২০৩০' নামে একটি প্রকল্প চালু করেছেন সৌদির যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমন। বিশ্বকাপ আয়োজনের সব পরিকাঠামো তার মধ্যে তৈরি করে ফেলতে চান তিনি। তার জন্য একটি আলাদা শহর তৈরি করতে চাইছেন সলমন। সেখানেই গোটা বিশ্বকাপ আয়োজন করা হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ফিফা এই মাসের শুরুতে এশিয়া এবং ওশেনিয়া অঞ্চল থেকে বিশ্বকাপের বিড-এর জন্য আয়োজক দেশগুলিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। সেখানে অস্ট্রেলিয়া শুরুতে আগ্রহ দেখালেও পরে তারা সরে দাঁড়াল। ফলে সৌদি আরব ২০৩৪ বিশ্বকাপ আয়োজন করবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।