নিচু বার্থ, ঝাঁকুনিবিহীন যাত্রা! রাজধানীর জায়গা নেবে বন্দে ভারতের স্লিপার ট্রেন?

17th October 2023 6:36 pm Country News
নিচু বার্থ, ঝাঁকুনিবিহীন যাত্রা! রাজধানীর জায়গা নেবে বন্দে ভারতের স্লিপার ট্রেন?


বন্দে ভারতের স্লিপার ট্রেন যে আসতে চলেছে, তা আগেই জানিয়েছে রেল। নতুন এই ট্রেনের অন্দরসজ্জা কেমন হবে, তার কাল্পনিক ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক চললে, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি- মার্চ মাস নাগাদ বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের প্রথম স্লিপার কোচ তৈরি হয়ে যাবে।এর প্রথম প্রটোটাইপ কোচটি বেঙ্গালুরুর ভারত আর্থ মুভার লিমিটেড এবং চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রেটেড কোচ ফ্যাক্টরিতে তৈরি হচ্ছে।কেমন হতে চলেছে বন্দে ভারতের এই নতুন স্লিপার কোচ? কী কী বৈশিষ্ট্য থাকছে এই ট্রেনের? তার এক্সক্লুসিভ তথ্য এসেছে নিউজ ১৮ বাংলার কাছে।জানা গিয়েছে, বন্দে ভারত স্লিপার কোচের প্রতিটি বগি তৈরি হবে স্টেনলেস স্টিল দিয়ে। ট্রেনটির গায়ে সাদা রংয়ের উপরে কমলা দাগ কাটা থাকবে। প্রতিটি সিটের সঙ্গে ল্যাপটপ এবং মোবাইল ফোনের চার্জার থাকবে।নতুন এই বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ১৬টি বগি থাকবে। তার মধ্যে ১টি প্রথম শ্রেণির এসি, চারটি এসি টু টায়ার কামরা এবং এগারোটি থ্রি টায়ার কামরা থাকবে। এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত এক রেল কর্তার কথায়, বন্দে ভারতের স্লিপার ট্রেনগুলিতে সিটগুলি হবে অনেক বেশি আরামদায়ক। এই ট্রেনের মূল বৈশিষ্টই হতে চলেছে আরামদায়ক এবং নিরাপদ সফর। ওই আধিকারিকের কথায়, ‘একবার যদি কেউ এই ট্রেনে চড়েন, সেই যাত্রী আবার এই ট্রেনে চড়তে বাধ্য হবেন।’এর পাশাপাশি এই ট্রেনের আরও একটি বড় সুবিধা হল ঝাঁকুনিবিহীন আরামদায়ক যাত্রা। ট্রেনের ভিতরে আপার বার্থের উচ্চতাও অনেক কম হবে। ফলে সহজেই যাত্রীরা আপার বার্থে ওঠানামা করতে পারবেন। তার উপর, ট্রেনে এমন প্রয়ুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে যে ট্রেন আচমকা ব্রেক মারলেও যাত্রীরা তা যাত্রীরা অনুভব করতে পারবেন না। এ ছাড়াও ট্রেনগুলিতে অ্যটোমেটিক ট্রেন প্রোটেকশন সিস্টেম বা কবচ প্রযুক্তিও থাকছে, যা বন্দে ভারতেরর চেয়ার কারের মতা অন্যান্য ট্রেনেও এখন থাকে।সূত্রের খবর, রাজধানী এক্সপ্রেসের জায়গা নেবে বন্দে ভারতের এই স্লিপার ট্রেনগুলি।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।