২০৩৬ অলিম্পিক কি ভারতে?

15th October 2023 8:58 pm Country News
২০৩৬ অলিম্পিক কি ভারতে?


২০৩৬ সালের অলিম্পিক ভারতে আনার সবরকম চেষ্টা করবে ভারত। শনিবার এ কথা জানিয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। শনিবার মুম্বইয়ে ইন্টারন‌্যাশনাল অলিম্পিক কমিটির বৈঠক উদ্বোধন করতে গিয়ে মোদি এই কথা জানান।

 

 

৪০ বছর পরে এ বার ভারতে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (IOC) বৈঠক বসেছে। সেই বৈঠকের উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত ২০৩৬-এর অলিম্পিক আয়োজন করতে আগ্রহী। এটাই ১৪০ কোটি ভারতবাসীর স্বপ্ন। সবার সমর্থন নিয়ে এই স্বপ্ন সত্যি করার চেষ্টা করব। আশা করি অলিম্পিক কমিটিও আমাদের সাহায্য করবে। শুধু তাই নয়, ২০২৯-এর যুব অলিম্পিকও ভারতে করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন মোদি।

 

প্যারিসের পরে অলিম্পিকের দুটি সংস্করণ লস অ্যাঞ্জেলস (২০২৮) ও ব্রিসবেনে (২০৩২) হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। তাই এখন থেকেই ২০৩৬ অলিম্পিক (Olympic 2036) আয়োজনের দায়িত্ব পাওয়ার দৌড়ে ঢুকে পড়তে চাইছে ভারত। আর এই দৌড়ে জেতার ক্ষেত্রে প্যারিসের পারফরম্যান্স অনুঘটকের কাজ করবে বলে মনে করছে ক্রীড়া মহল। ইতিমধ্যেই ২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজন করার জন‌্য ইতিমধ্যেই পোল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া এবং মেক্সিকো দাবি জানিয়েছে।

 

দিন কয়েক আগে ২০৩৬ আলিম্পিক আয়োজনের জন্য বিড করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (Indian Olympic Association) প্রধান পিটি ঊষাও। সম্প্রতি এশিয়ান গেমসের (Asian Games 2023) সমাপ্তি অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে বলে গেলেন, “২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজনের জন্য অবশ্যই দাবি জানাতে হবে। আমি নিশ্চিত, টোকিওর তুলনায় প্যারিস গেমসে আমরা আরও বেশি পদক পাব। আর সেই পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে আমরা ২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজন করতেই পারি।” তার পরই খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০৩৬ অলিম্পিকের আয়োজন করার জল্পনা উসকে দিলেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।