একজনের মাথা অন্যজনের শরীরে। রাশিয়ার অবাক করা চিকিত্‍সা

14th October 2023 6:45 pm Country News
একজনের মাথা অন্যজনের শরীরে। রাশিয়ার অবাক করা চিকিত্‍সা


অঙ্গ প্রতিস্থাপন প্রায় হয়ে থাকে। কোন অ্যাক্সিডেন্ট কিংবা কোন অঙ্গের ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেলে সেই অঙ্গটি বাদ দিয়ে অন্য কারোর অঙ্গ প্রতিস্থাপন করা আজকাল জলভাতের মতো চিকিত্‍সকদের কাছে। তবে চিকিত্‍সা বিজ্ঞানের নানা বিষয়ে গবেষণা করে এবার একজনের মাথা অন্যজনের শরীরে প্রতিস্থাপন করতে সফল হল চিকিত্‍সা বিজ্ঞান।কি তাজ্জোব হচ্ছেন তো! একজনের মাথা অন্যজনের শরীরে কিভাবে দেওয়া সম্ভব? কিন্তু অসম্ভব একটা কোন জিনিস নেই বিজ্ঞানের ভাষায়। এমন এক অসম্ভব কে সম্ভব করে দেখিয়েছেন ইতালীয় এক নিউরোসার্জেন। à¦œà¦¾à¦¨à¦¾ যায় গত কয়েক বছর ধরেই মানুষের মাথা প্রতিস্থাপনের চেষ্টা করছিল বিজ্ঞানীরা। এর আগে এক ইতালীয় নিউরোসার্জেনের নেতৃত্বে একটি দল মানুষের মাথা প্রতিস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে। তবে তাঁরা কিন্তু কোনও জীবিত মানুষের মাথা প্রতিস্থাপন করতে পারেননি। তাঁরা চিনের এক গবেষণাগারে à§§à§® ঘণ্টা অপারেশনের পর দুজন মৃত মানুষের মাথা, মেরুদণ্ড ও রক্তনালী প্রতিস্থাপন করতে পেরেছিলেন। à¦˜à¦Ÿà¦¨à¦¾ প্রসঙ্গে ইউনিভার্সিটি টিচিং হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল প্রধান ব্রুস ম্যাথু জানিয়েছেন, অ্যাডভান্স রোবোটিক্স-এ স্টেম সেল ট্রান্সপ্ল্যান্ট এবং স্নায়ু শল্যচিকিত্‍সার অগ্রগতিকে সঙ্গী করে দুজন মানুষের দেহে মস্তিষ্ক এবং স্পাইনাল কর্ড স্থানান্তর ঘটানো সম্ভব। তবে এর আগে যেভাবে স্পাইনাল কর্ড থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে, প্রতিস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে তা সম্ভবপর নয়। কারণ স্পাইনাল কর্ড-সহ মাথা প্রতিস্থাপন করতে হবে। তবে বিজ্ঞানীরা আশাবাদী যে অত্যাধুনিক স্টেমসেল প্রতিস্থাপন, রোবোটিক ও স্নায়ু সার্জারির মাধ্যমেই এতে সাফল্য মিলবে। à¦ªà§à¦°à¦¸à¦™à§à¦—ত, ২০১৭ সালে ডক্টর জায়োপিং রেন একটি মৃত বানরের মাথা প্রতিস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।