আইনস্টাইন-ডারউইনের থিওরির বিরুদ্ধে আদালতে পিটিশন!

14th October 2023 6:38 pm Country News
আইনস্টাইন-ডারউইনের থিওরির বিরুদ্ধে আদালতে পিটিশন!


আলবার্ট আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব ও চার্লস ডারউইনের বিবর্তনবাদকে চ্যালেঞ্জ করে ভারতের আদালতে পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। পিটিশনকারী বলছেন, এই দুটি তত্ত্বে ভুল রয়েছে, তিনি এটি নিয়ে কথা বলার প্ল্যাটফর্ম চান। অবশ্য পিটিশনটি খারিজ করে দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, বিচারপতি সঞ্জয় কিশান কৌল ও সুধাংশু ধুলিয়ার সুপ্রিম কোর্ট বেঞ্চ শুক্রবার এই পিটিশন খারিজ করে দেন।আদালত বলেন, আর্টিকেল ৩২-এর আওতায় এসব বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব ভুল বলা যাবে না। এ কারণে এ নিয়ে পিটিশনও দায়ের করা যাবে না।বিচারপতি সঞ্জয় কিশান কৌল ও সুধাংশু ধুলিয়ার সুপ্রিম কোর্ট বেঞ্চ বলেন, 'পিটিশনকারী প্রমাণ করতে চাইছেন, আলবার্ট আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব ও চার্লস ডারউইনের বিবর্তনবাদ ভুল। এই কথা প্রমাণ করার জন্য তিনি একটি বিশেষ প্লাটফর্ম চেয়েছেন। কিন্তু তিনি যদি এই বিশ্বাস করে থাকেন, তাহলে তিনি নিজের মতো করে এর প্রচার করতে পারেন।'আলবার্ট আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বমতে সব গতিই আপেক্ষিক, পরম নয় কোনো গতিই। চার্লস ডারউইনের বিবর্তনবাদে বলা হয়েছে, বিবর্তনের মধ্য দিয়েই প্রতিটি জীবকে যেতে হয়।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।