কলকাতার কাছেই ফাটাফাটি ৫ নতুন সমুদ্র সৈকত আবিষ্কার বাংলার পর্যটনের মুকুটে নয়া পালক

6th June 2024 1:33 pm Country News
কলকাতার কাছেই ফাটাফাটি ৫ নতুন সমুদ্র সৈকত আবিষ্কার বাংলার পর্যটনের মুকুটে নয়া পালক


কলকাতার আশেপাশে ৫ নতুন সমুদ্র সৈকতে বেড়ানোর ষোলোআনা মজা নিন। দিন দুয়েকের ছুটি পেলেই কেল্লাফতে। নিরিবিলি সমুদ্র সৈকতে পছন্দের মানুষগুলিকে নিয়ে কাটিয়ে আসুন কয়েকবেলা। বিশেষ এই প্রতিবেদনে কলকাতার কাছে ৫ নিরিবিলি-নির্জন সমুদ্র সৈকতের হদিশ মিলবে। কোলাহলমুক্ত-অপরূপ সেই সব সমুদ্র সৈকতগুলি ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে।বগুড়ান জলপাইনিরিবিলি এই সাগরপাড়ের অভূতপূর্ব প্রাকৃতিক পরিবেশ বেড়ানোর ষোলআনা মজা এনে দেবে। কলকাতা থেকে ট্রেন বা বাসে পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি পৌঁছে যান। সেখান থেকে গাড়িতে চলে যান বগুড়ান জলপাইয়ে। অপূর্ব নির্জন এই সমুদ্র সৈকতে মিলবে হৃদয়ের স্বস্তি।

যমুনাশোল

কলকাতা থেকে ২৩৩ কিলোমিটার দূরে রয়েছে নতুন আরও একটি সমুদ্র সৈকত যমুনাশোল। ট্রেনে গেলে আপনাকে পাস্তায় নামতে হবে। সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে নিয়ে পৌঁছে যান যমুনাশোলে। থাকার জন্য এখানে পেয়ে যাবেন নেচার স্টে ক্যাম্প। যার ফোন নম্বর হল, 9903517090।

লালগঞ্জ

কলকাতা থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে বঙ্গোপসাগরের এই পাড়। ট্রেনে নামখানা পৌঁছে যান। সেখান থেকে টোটো বা অটোতে করে সোজা চলে যান লালগঞ্জে। থাকার জন্য এখানে সমুদ্রপাড়ে কয়েকটি ক্যাম্প পেয়ে যাবেন।

ধুবলাগড়ি

কলকাতা থেকে এই সমুদ্র সৈকতের দূরত্ব ২৪৫ কিলোমিটারের মতো। ট্রেনে বালাসোরে পৌঁছে যান। সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে নিয়ে পৌঁছে দিতে পারবেন ধুবলাগড়িতে। থাকার জন্য এখানে ক্যাম্প রয়েছে। তেমনই একটি ক্যাম্পের ফোন নাম্বর হল, 99063352423।

দাগাড়া

বিশেষ এই প্রতিবেদনের সর্বশেষ সমুদ্র সৈকতটির নাম হল দাগাড়া। কলকাতা থেকে ট্রেনে চলে যান জলেশ্বর। সেখান থেকে অটো বা ছোট গাড়িতে দাগাড়া। থাকার জন্য এখানে দাগাড়া নেচার ক্যাম্প পেয়ে যাবেন। তার ফোন নম্বরটি হল, 7438877466।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।