গরমে রোজ আম খেয়েও ছিপছিপে থাকেন মিমি চক্রবর্তী! ফিট থাকার গোপন মন্ত্র জানালেন নায়িকা

24th April 2024 7:53 pm Country News
গরমে রোজ আম খেয়েও ছিপছিপে থাকেন মিমি চক্রবর্তী! ফিট থাকার গোপন মন্ত্র জানালেন নায়িকা


প্যাচপেচে গরমও যে কারণে হাসিমুখে মেনে নেয় বাঙালি, তা হল আম। গরম পড়তেই বাজারে বাজারে বাহারি আম নিয়ে দরদামে লেগে পড়েন খাদ্যরসিকরা। গ্রীষ্মে দাবদাহ-আর্দ্রতা থেকে স্বস্তি পেতে আমেই ভরসা রাখেন কেউ কেউ। শুধু ফল ছাড়াও আম দিয়ে বানানো লস্যি, আমরস, পুডিং, কেক— গরমের দিনে আম দিয়ে বানিয়ে ফেলেন বাহারি সব পদ! আর পাঁচ জন সাধারণ বাঙালির মতো অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীরও প্রিয় ফল আম। তবে তিনি তো অভিনেত্রী, নিজের ফিটনেস নিয়ে তাঁকে সব সময়ে সতর্ক থাকতে হয়। আমে ক্যালোরির মাত্রা অনেকটাই বেশি, তাই রোজ আম খেলে ওজন বাড়তে বাধ্য। ওজন ঝরানোর ডায়েটে পুষ্টিবিদরা আম না রাখারই পরামর্শ দেন।

ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে কি প্রিয় ফল আমের সঙ্গে আড়ি করেছেন মিমি? সম্প্রতি আম নিয়ে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী। পোস্টে নিজের মনের কথা লিখেছেন তিনি। আমের সঙ্গে কোনও রকম আপোস করতে নারাজ মিমি। বছরের ক’টা মাস আম পাওয়া যায় বলে কথা, তখন আম না খেলে কি চলে? আম খেয়েও কী ভাবে ওজন ঝরানো যায় সেই পথই বার করেছেন অভিনেত্রী। অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন আম খেয়েও ছিপছিপে থাকার টোটকা।

ইনস্টাগ্রামের পোস্টে একাধিক ছবি ভাগ করেছেন মিমি। ছবিগুলিতে দেখা যাচ্ছে, জিমে শরীরচর্চায় ব্যস্ত নায়িকা। শেষের ছবিতে এক বাটি আম দেখা যাচ্ছে। ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘আমের মরসুম বলে কথা’। অর্থাৎ, আম খাওয়ার জন্য গরমের দিনেও অতিরিক্ত শরীরচর্চা করছেন মিমি। সাধের জন্য অতিরিক্ত ঘাম ঝরাতেও আপত্তি নেই অভিনেত্রীর। আমের মরসুমে আম নিয়ে আম জনতার মতোই মশগুল মিমি!





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।