বৈশাখের রোদে তেতেপুড়ে প্রিয়জন বাড়ি ফিরলে বানিয়ে দিতে পারেন শাহি লস্যি

19th April 2024 8:46 pm Country News
বৈশাখের রোদে তেতেপুড়ে প্রিয়জন বাড়ি ফিরলে বানিয়ে দিতে পারেন শাহি লস্যি


বৈশাখের গরমে নাজেহাল শহর থেকে শহরতলি। উষ্ণতার মরসুমে শীতলতা খুঁজতে ব্যস্ত সকলেই। গ্রীষ্মের দাপটে কোনও কিছুতেই যেন স্বস্তি মিলছে না। তবে এই গরমে বাড়িতে অতিথি এলে আপ্যায়ন নিয়ে বেশ চিন্তায় পড়তে হচ্ছে। অন্য সময় ধোঁয়া ওঠা এক কাপ গরম চায়ে চুমুক দিয়ে আড্ডা শুরু করা যেত। কিন্তু হাঁসফাঁস করা গরমে চা সে ভাবে টানছে না। বরং ঘন ঘন ফ্রিজ়ের ঠান্ডা জলে গলা ভেজাতে মন চাইছে। তবে বাড়িতে অতিথি এলে বানিয়ে দিতে পারেন শাহি লস্যি। রইল প্রণালী।

উপকরণ:

 

১ কাপ টকদই

১ স্কুপ ভ্যানিলা আইসক্রিম

 

১ টেবিল চামচ ভ্যানিলা আইসক্রিম

 

আধ টেবিল চামচ কেশর

 

আধ কাপ জল

 

১ টেবিল চামচ টুকরো কাঠবাদাম

 

প্রণালী:

 

টকদই, চিনি, জল এবং ভ্যানিলা আইসক্রিম একসঙ্গে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ভাল করে মিশিয়ে নিন।

 

অন্য একটি পাত্রে ১ চামচ জলে কেশর ভিজিয়ে রাখুন।

 

কেশর ভেজানো জল তৈরি করে রাখা লস্যির মধ্যে ঢেলে দিন। চামচ দিয়ে ধীরে ধীরে মিশিয়ে নিন। তার পর কিছু ক্ষণ ফ্রিজ়ে রেখে দিন।

 

পরিবেশন করার আগে লস্যির উপরে ড্রাই ফ্রুটস এবং কাঠবাদামের টুকরো সাজিয়ে দিন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।