বয়স বাড়ছে ঝড়ের গতিতে বার্ধক্য এড়াতে খেতে হবে এই ড্রাইফুটসগুলি

18th April 2024 9:06 pm Country News
বয়স বাড়ছে ঝড়ের গতিতে বার্ধক্য এড়াতে খেতে হবে এই ড্রাইফুটসগুলি


বয়সকে ধরে রাখতে কে না চায় বলুন! তবে বয়স হলে বয়সের ছাপ মুখে পড়ে যায় সকলের। আবার অনেকরকেই কম বয়সে মুখে বার্ধক্যের ছাপ পড়ে যায়। চিরতরে তরুণ দেখাতে অনেকেই নানান ক্রিম মুখে মাখেন। তবে অনেক সময় লাভ হয় না।আপনি যদি বার্ধক্যকে এড়িয়ে চলতে চান বা বয়স বাড়লেও আপনি যদি নিজেকে তরুণের মতো দেখাতে চান তাহলে এই ড্রাইফুটসগুলি খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেনদেখুন কী কী খাবেন।

বাদাম

বাদাম খাওয়ার স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভালো। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এটি খেলে বার্ধক্য এত সহজে আসবে না। বাদাম ত্বকের জন্য খুব ভালো। এতে ভিটামিন ই এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। যা আপনার ত্বকের জন্য খুব ভালো। এমনকি চুল ভালো রাখতেও সাহায্য করে বাদাম।

আখরোট

আখরোটে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। যা সূর্যের ক্ষতিকারক ইউবি রশ্মি থেকে ত্বককে বাঁচাতে সাহায্য করে। ত্বককে হাইড্রেট থাকতেও সাহায্য করে। এটি খেলে আপনার বার্ধক্য সহজে আসবে না। বয়স দেখে কেউ ধরতেই পারবে না, যে আপনার আসল বয়স কত।

কাজু

কাজু খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভালো। কাজু খেলে হার্ট ভালো থাকে। কারণ কাজুতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক থাকে। থাকে ভিটামিন এবং প্রোটিনের মত উৎসও। বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে কাজু। কোলেস্টেলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে কাজু। কাজু খেলে বার্ধক্য নিয়ন্ত্রনে রাখা যায়।

গরমে চুটিয়ে খাচ্ছেন আইসক্রিম, অজান্তেই শরীরের ভালো না ক্ষতি করছেন, জানুন

পেস্তা

যেকোনও ডেসার্টে যদি পেস্তা থাকে তাহলে কিন্তু অসাধারণ লাগে খেতে। বার্ধক্য কমাতে খেতে পারেন রোজ পেস্তা। পেস্তা খেলে আপনার ত্বক ভালো থাকবে। হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে পেস্তা।

পাইন বাদাম

পাইনবাদাম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভালো। এটি খেলে ত্বক নরম ও উজ্জ্বল থাকবে। চুল ভালো রাখতেও সাহায্য করে পাইন বাদাম।

জল খানএ

ই ড্রাইফুটস খাওয়ার পাশাপাশি আপনাকে রোজ প্রচুর পরিমাণে জল খেতে হবে। যাতে শরীর ডিহাইড্রেট না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। তবেই কিন্তু আপনাকে বৃদ্ধ বয়সেও তরুণের মতোন দেখাবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।