গরমে রোজ ভাতের সঙ্গে শসা খাচ্ছেন? বিশেষ কিছু লাভ হচ্ছে কি?

13th April 2024 8:55 pm Country News
গরমে রোজ ভাতের সঙ্গে শসা খাচ্ছেন? বিশেষ কিছু লাভ হচ্ছে কি?


কষা মাংস হোক কিংবা পাতলা ডাল, গরমে সুস্থ থাকতে বাঙালির রোজের পাতে থাকছে শসা। আবার সন্ধ্যার টিফিনের মুড়িমাখা শসা ছাড়া অসম্পূর্ণ। শসায় জলের পরিমাণ অনেকটাই বেশি। ফলে শসা খেলেও স্বস্তি পাওয়া যাচ্ছে অনেকটাই। জল তেষ্টাও কম পাচ্ছে। তবে গরমে নিয়মিত শসা খেলে আরও বেশ কিছু সুফল পাওয়া যাবে। সেগুলি কী?

১) এই দাবদাহে সুস্থ থাকতে শসার বিকল্প নেই। গরমে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি। সেই ঝুঁকি এড়াতে শসার উপর ভরসা রাখতে পারেন। এই গরমে নিয়ম করে শসা খেতে ভুলবেন না। তা হলে সুস্থ থাকা অনেকটাই সহজ হবে।

২) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে শসার জুড়ি মেলা ভার। ক্যালোরির পরিমাণ কম, তবে ফাইবার আছে ভরপুর পরিমাণে। ফলে ওজন কমাতে শসা সত্যিই ভীষণ উপকারী। তা ছাড়া শসার অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং ফ্ল্যাভোনয়ে়ডস উপাদান সুস্থ থাকতে সাহায্য করে।

৩) গরমে রাতে ঘুম হচ্ছে না। তার উপর একরাশ ক্লান্তি। সমস্ত ক্লান্তি যেন গিয়ে জমা হয় চোখের নীচে। ফোলা চোখের যত্ন নিতে শসা ব্যবহার করতে পারেন।

 

৪) শসায় জলের পরিমাণ অনেকটাই বেশি। ফলে নিয়মিত শসা খেলে শরীরে জলের ঘাটতি পূরণ হবে অনেকটাই। তাই সুস্থ থাকতে শসা খেতে ভুলবেন না।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।