৩০-এর আলিয়া থেকে ৬০ ছুঁইছুঁই মাধুরী, বলি নায়িকারা কী খেয়ে এত ছিপছিপে থাকেন?

27th March 2024 11:58 pm Country News
৩০-এর আলিয়া থেকে ৬০ ছুঁইছুঁই মাধুরী, বলি নায়িকারা কী খেয়ে এত ছিপছিপে থাকেন?


বলিউড নায়িকাদের মতো চেহারা গড়ে তুলতে চান অনেকেই। পর্দায় নায়িকাদের দেখে বিমোহিত হয়ে তাঁদের মতোই হয়ে উঠতে চান। নায়িকাসুলভ চেহারা পাওয়া সহজ নয়। তার জন্য কাঠখড় পোড়াতে হয় অনেক। নায়িকারাও পরিশ্রম কম করেন না। অনেকের কাছেই বিষয়টি সাধনার মতো। রুপোলি পর্দার নায়িকাদের মতো নিজেকে গড়ে তোলা স্বপ্ন হলেও তা পূরণ করা সহজসাধ্য নয় একেবারেই। অনেকেই তাই অভিনেত্রীদের শরীরচর্চা, খাওয়াদাওয়ার রুটিন অনুসরণ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু অভিনেত্রীরা যা যা নিয়ম মেনে চলেন, তা সব মেনে চলা অসম্ভব। তবে বলিপাড়ার অনেকেই ওজন ধরে রাখতে ভরসা রাখেন স্যালাডে। কে, কোন ধরনের স্যালাড খান তা জেনে নিলে রোগা হওয়ার পথ খানিকটা প্রশস্ত হতে পারে।

আলিয়া ভট্ট

 

খেতে ভালবাসেন তিনি। ইচ্ছা হলে খাওয়াদাওয়ায় কোনও নিয়ম মানেন না। আবার কখনও কড়া ডায়েট মেনে চলেন। তবে আলিয়ার ছিপছিপে চেহারার রহস্য লুকিয়ে আছে তাঁর বিটের স্যালাডে। পছন্দের এই স্যালাডের কথা আলিয়া নিজেই জানিয়েছিলেন তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে। বানানো এমন কিছু কঠিন বিষয় নয়। গ্রেট করা বিটের সঙ্গে ইয়োগার্ট, গোলমরিচ, চাট মশলা, ধনে পাতা, জিরে গুঁড়ো আর কারি পাতা মিশিয়ে নিলেই তৈরি বিটের স্যালাড।

মাধুরী দীক্ষিত

 

৬০ ছুঁইছুঁই মাধুরী দীক্ষিত এখনও পর্দায় এলে অনেকের রাতের ঘুম উড়ে যায়। এই বয়সে এমন তন্বী চেহারা ধরে রাখা সহজ নয়। তবে তিনি পেরেছেন। খাওয়াদাওয়ায় কড়া নজর তাঁর। তবে চেহারায় লাস্য ধরে রাখতে তিনি খান এক বিশেষ স্যালাড। টোম্যাটো, তুলসি পাতা, মোজ়োরেলা চিজ়— এই তিন উপকরণ দিয়েই মাধুরীর পছন্দের স্যালাড বানাতে পারেন।

শিল্পা শেট্টি

 

বলিপাড়ার অন্যতম ফিটনেস সচেতন নায়িকা শিল্পা শেট্টি। শিল্পার ফিটনেস রুটিন সত্যিই শিক্ষণীয়। ৫০-এর ধারেকাছে বয়স শিল্পার। তবু দেখলে মনে হয় এখনও তিনি সেই কমবয়সি নায়িকা। ডায়েট তো করেন। তবে এমন একটি স্যালাড খান শিল্পা, যা নাকি ওজন ঝরাতে সাহায্য করে। পালং শাক, লেটুস, অলিভ, বেদানা আর শসা— চেনা কিছু উপকরণ দিয়েই শিল্পার পছন্দের এই স্যালাড তৈরি হয়ে যাবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।