সর্ষে দিয়ে মাছ খেলেই অম্বল হয়? পাতলা অথচ সুস্বাদু মাছের ঝোলের প্রণালী রইল এখানে

19th March 2024 7:26 pm Country News
সর্ষে দিয়ে মাছ খেলেই অম্বল হয়? পাতলা অথচ সুস্বাদু মাছের ঝোলের প্রণালী রইল এখানে


ট্যালট্যালে মাছের ঝোল দেখলেই বাড়ির সকলের মাথা গরম। বেশির ভাগেরই ধারণা, শরীর কিংবা পেট খারাপ না হলে এই ধরনের রান্না কেউ ভালবেসে খায় না। তবে, সুস্বাদু রান্না মানেই যে খুব তেলমশলা যুক্ত রগরগে খাবার, এমন কিন্তু নয়। অফিসে যাওয়ার আগে রোজ কষিয়ে-মজিয়ে রান্না করাও যায় না। অল্প তেল, সামান্য মশলা দিয়েও রাঁধা মাছের ঝোলের স্বাদ কিন্তু অতুলনীয় হতে পারে। তেমন পদের রন্ধন প্রণালী দেওয়া রইল এখানে।

উপকরণ:

 

কাতলা বা রুই মাছ: ৪-৬ টুকরো

আলু: ১টি

 

টোম্যাটো কুচি: আধ কাপ

 

আদা: আধ চা চামচ

 

কাঁচালঙ্কা: ২টি

 

কালোজিরে: ১ চা চামচ

 

হলুদ গুঁড়ো: আধ চা চামচ

 

জিরে গুঁড়ো: আধ চা চামচ

 

ধনে গুঁড়ো: আধ চা চামচ

 

সর্ষের তেল: ২ টেবিল চামচ

 

ধনে পাতা: আধ কাপ

 

নুন: প্রয়োজন অনুযায়ী

প্রণালী:

 

১) প্রথমে মাছগুলো ভাল করে ধুয়ে নুন, হলুদ মাখিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন।

 

২) কড়াইতে তেল গরম করে মাছগুলো ভেজে নিন।

 

৩) ওই তেলের মধ্যে কালোজিরে, কাঁচালঙ্কা দিন। একটু ভেজে নিয়ে দিয়ে দিন টোম্যাটো কুচি।

 

৪) কম আঁচে একটু নাড়াচাড়া করে নিয়ে এর পর দিয়ে দিন আদা বাটা।

 

৫) এ বার টুকরো করে কাটা আলু তেলে ছাড়ুন। একটু নাড়চাড়া করে নিয়ে কড়াইতে দিন একটু হলুদ, জিরে এবং ধনে গুঁড়ো।

 

৬) কিছু ক্ষণ পর ২ কাপ মতো জল দিন। এ বার ঢাকা দিয়ে আলু সেদ্ধ হতে দিন।

 

৭) মিনিট পাঁচেক পরে ঢাকনা খুলে ভাজা মাছগুলো ঝোলের মধ্যে দিয়ে দিন। কিছু ক্ষণ ফোটান। স্বাদ মতো নুন, মিষ্টি দিন।

 

৮) ঝোল একটু ঘন হয়ে এলে আঁচ বন্ধ করে দিন। উপর থেকে ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।