রমজ়ান মানেই মিষ্টিমুখ! বাড়িতে বানিয়ে ফেলুন স্বাস্থ্যকর মিঠাই, যা খেলে মোটেই ওজন বাড়বে না

18th March 2024 3:29 pm Country News
রমজ়ান মানেই মিষ্টিমুখ! বাড়িতে বানিয়ে ফেলুন স্বাস্থ্যকর মিঠাই, যা খেলে মোটেই ওজন বাড়বে না


চলছে রমজ়ান মাস। এই সময় সেহেরি হোক কিংবা ইফতারি— একটু মিষ্টিমুখ না করলে কি চলে? তবে ডায়াবিটিস হোক কিংবা ওজন বেড়ে যাওয়ার চিন্তা, অনেকেই মিষ্টি খেতে ভয় পান। ১ মাস ধরে বাজার থেকে কেনা মিষ্টি নিয়মিত খেতে থাকলে শরীরের যে বারোটা বাজবে, এ বিষয় কোনও সন্দেহ নেই। রইল এমন কয়েকটি মিষ্টির হদিস, যা ওজন ঝরানোর ডায়েটে থেকেও খেতে পারেন আপনি, আর ডায়াবেটিকরাও পরিমিত মাত্রায় খেতে পারেন।

ওট্স লাড্ডু: একটি পাত্রে ওট্স, তিসির বীজ গুঁড়ো, মধু, খেজুর বাটা, কাজুবাদাম গুঁড়ো, জায়ফল গুঁড়ো, দারচিনির গুঁড়ো, আর পিনাট বাটার মিশিয়ে নিন ভাল করে। এ বার হাতের তালুতে সামান্য ঘি নিয়ে ছোট ছোট গোলা বানিয়ে লাড্ডুর মতো পাকিয়ে নিন। তৈরি হয়ে যাবে ওট্স লাড্ডু।

মাখানা ক্ষীর: ননস্টিক কড়াইতে অল্প একটু ঘি দিয়ে মাখানাগুলি অল্প আঁচে কড়া করে ভেজে নিন। এ বার মাখানার মধ্যে একটি এলাচ দিয়ে হামনদিস্তা দিয়ে গুঁড়ো করে নিন। লো ফ্যাট দুধকে ভাল করে জ্বাল দিয়ে ঘন করে নিন। এ বার মাখানার গুঁড়ো দিয়ে খানিক ক্ষণ আরও ঘন করে নিন। কয়েক ফোঁটা স্টিভিয়া দিয়ে নামিয়ে নিন। ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।

রাগি হালুয়া: এক কাপ রাগির আটার মধ্যে তিন কাপ জল মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে নিন। এ বার ননস্টিক পাত্রে মিশ্রণটি ঢেলে ঘন করে নিন। মিশ্রণে গুড় মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে নিন। মিশ্রণটি ঘন হয়ে এলে এলাচ গুঁড়ো, ঘি, আর কাজুবাদামের গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। গরম গরম পরিবেশন করুন রাগি হালুয়া।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।