মুখের চর্বি যেভাবে কমাবেন রইলো ঘরোয়া কয়টি টিপস

14th March 2024 12:12 pm Country News
মুখের চর্বি যেভাবে কমাবেন রইলো ঘরোয়া কয়টি টিপস


পেটের মেদ বা ভুঁড়ি কমানোর উপায় অনেকেরই জানা। তাই নিয়মিত ব্যায়াম করে পেটের মেদ ঝরিয়ে ভুঁড়ি রাখেন নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু মুখে অতিরিক্ত মেদ জমার ফলে মুখ অস্বাভাবিক ভারী বা ফোলা দেখালে কি করবেন? এই অতিরিক্ত মেদ থুতনির নিচে জমে গলা পর্যন্ত ঝুলে গিয়ে মুখের গড়নও বদলে দিতে পারে। তখন দেখতে ভাল লাগবে না এবং বয়স বেশি বেশি মনে হবে।মুখের সৌন্দর্য ধরে রাখতে তাই গালে, থুতনির নিচে জমা অতিরিক্ত মেদ কমিয়ে ফেলা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু পেটের মেদের মতো মুখের মেদ কমানো অতটা সহজ নয়! মুখের মেদ কমানোর ব্যাপারটা সম্পূর্ণ আলাদা ধরনের। এবার তা জেনে নিন…

ব্যায়াম ১: যতটা সম্ভব মুখ হাঁ করে খোলার চেষ্টা করুন। যতক্ষণ না গালে, ঠোঁটে এবং থুতনিতে টান বা চাপ অনুভব করছেন। এভাবে অন্তত মিনিট তিনেক রেখে তারপর ১৫-২০ সেকেন্ড বিশ্রাম নিন। এই পদ্ধতিতে দিনে দু'বার ব্যায়াম করার ফলে মুখের রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যাবে, যা মুখের অতিরিক্ত মেদ কমাতে সাহায্য করে।

ব্যায়াম ২: চোখ বন্ধ করে চোখের উপর আঙুল রেখে চোখের পাতা নিচের দিকে নামাতে থাকুন আর ভ্রু ওপরে তোলার চেষ্টা করুন। এতে কপাল টান টান হবে। প্রতিদিন অন্তত পাঁচ মিনিটের জন্য এই পদ্ধতিতে ব্যায়াম করুন। এতে চোখের কোলে জমে থাকা মেদ কমে যাবে।

ব্যায়াম ৩: মাথাটা ধীরে ধীরে যতটা সম্ভব পেছনের দিকে হেলাতে থাকুন, যতক্ষণ না ঘাড়ে আর থুতনির নিচে চাপ অনুভব করছেন। এবার চোয়াল ডান দিক থেকে বাঁ দিক এবং বাঁ দিক থেকে ডান দিকে ধীরে ধীরে ঘোরানোর চেষ্টা করুন। দিনে পাঁচ মিনিট করে অন্তত ৫ বার এই ব্যায়াম করতে পারলে ঘাড় আর গলার পেশি টান টান হয়ে যাবে। একই সঙ্গে দ্রুত কমে যাবে ঘাড় আর গলার অতিরিক্ত মেদও।

ব্যায়াম ৪: মাথা পেছন দিকে যতটা সম্ভব হেলিয়ে দু' হাত দিয়ে গালের ওপর সমান ভাবে চাপ সৃষ্টি করুন। একই সঙ্গে যতটা সম্ভব মুখ বন্ধ অবস্থাতেই হাসার চেষ্টা করুন। অন্তত ১০ মিনিট নিয়মিত এই ব্যায়াম করতে পারলে গাল থেকে অতিরিক্ত মেদ সহজেই কমে যাবে।

ব্যায়াম ৫: মুখের মধ্যে একটি বা দুটি আঙুল ঢুকিয়ে যতটা সম্ভব জোরে চুষুন। অথবা ওই ভঙ্গিতে মুখের ভেতরে হাওয়া টেনে গাল দুটোকে যতটা সম্ভব সংকুচিত করুন। 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।