ভেজাল মিলছে চায়েও কেনার আগে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি

14th March 2024 11:55 am Country News
ভেজাল মিলছে চায়েও কেনার আগে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি


চা ছাড়া অনেকেরই দিন শুরু হয় না! সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে শুরু করে সারাদিনে বেশ কয়েকবার চা খান কমবেশি সবাই। আবার ঘরে অবসর সময়ে এক কাপ চা হাতে বারান্দা না বসলেও অস্থির লাগে।অতিথি আপ্যায়নেও চা পরিবেশ করার প্রচলন আছে বিশ্বের সবখানেই। তবে যে চায়ের এতো কদর সেই চায়ে ভেজাল মেশানো আছে কি না তা কখনো ভেবে দেখেছেন?আসলে আমরা সবাই দোকান থেকে নানা ব্র্র্যান্ডের চা পাতা কিনে আনি। তবে সব চা পাতা কিন্তু ভালো নয়। এর মধ্যেই অনেক চা পাতার সঙ্গে মেশানো থাকে ভেজাল।

বাজারে এমন অনেক চা পাতা পাওয়া যায়, যেগুলোতে রং বা অনেক ধরনের রাসায়নিক মেশানো থাকে। ভেজাল চা দীর্ঘদিন ধরে পান করলে স্বাস্থ্যের উপরও খারাপ প্রভাব পড়তে পারে।

তাই জেনে রাখা জরুরি যে আপনি যে চা পান করছেন তা কি আসল নাকি ভেজাল মিশ্রিত? চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক চা পাতার ভেজাল চেনার উপায়-

>> চা পাতায় ভেজাল আছে কি না শনাক্ত করতে প্রথমে একটি টিস্যু পেপারে ২ চা চামচ চা পাতা রাখুন। এরপর পাতায় কয়েক ফোঁটা জল দিয়ে কিছুক্ষণ রোদে রাখুন।

তারপর টিস্যু পেপার থেকে চা পাতা তুলে ফেলুন। চা পাতায় ভেজাল থাকলে টিস্যু পেপারে দাগের চিহ্ন দেখা যায়। কোনো দাগ বা চিহ্ন যদি না থাকে তাহলে বুঝবেন চা পাতায় ভেজাল নেই।

>> আরেকটি উপায় হলো, এক গ্লাস ঠান্ডা জলে ১-২ চা চামচ চা পাতা দিয়ে ১ মিনিট রেখে দিন। জলে কিছুক্ষণের মধ্যে রং বের হলে বুঝবেন চা পাতায় ভেজাল আছে। আসল চা পাতার রং এত তাড়াতাড়ি বের হয় না। তাও আবার ঠান্ডা জলে!

>> চা পাতা আসল নাকি নকল পরীক্ষা করার আরও একটি উপায় হলো হাতে চা পাতা নিয়ে ১-২ মিনিট ঘষুন। হাতে কোনো রং দেখলে বুঝবেন চা পাতায় কিছু মেশানো আছে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।