চিকিৎসকের কড়া নির্দেশ শুনেও মদ্যপান ছাড়তে পারছেন না? কী ভাবে সামলাবেন পরিস্থিতি?

10th March 2024 9:23 am Country News
চিকিৎসকের কড়া নির্দেশ শুনেও মদ্যপান ছাড়তে পারছেন না? কী ভাবে সামলাবেন পরিস্থিতি?


মদ্যপান কেউ করেন আনন্দে। কেউ বা আবার অভ্যাসে। কেউ আবার দুঃখ থেকে মুক্তির উপায় খুঁজতে মদ্যপান করেন। কিন্তু মাত্রাছাড়া মদ্যপানের অভ্যাস যাঁদের, তাঁদের কোনও একটি সময় মদ্যপানের অভ্যাসে রাশ টানার কথা মনে হয়। সে সময়ে যদি মদ্যপান ছাড়তে না পারেন, তখন দেখা দেয় সমস্যা। শরীরে বাসা বাঁধতে শুরু করে নানা রকম অসুখ। চিকিৎসকের কড়া নির্দেশেও মদ্যপান ছাড়া সম্ভব হয় না তাদের পক্ষে। যাঁরা নিয়মিত মদ্যপান করেন, তাঁদের পক্ষে এই অভ্যাস ত্যাগ করা আরও কঠিন। কী ভাবে রাশ টানবেন মদ্যপানের অভ্যাসে?

১) প্রথমেই পরিমাণ কমানোর চেষ্টা না করে, একেবারে মদ্যপান না করে কাটানোর চেষ্টা করুন কয়েকটি দিন। প্রথমে কষ্ট হবে, কিন্তু তার পর সামলেও নিতে পারবেন।

 

২) দিনের কোনও একটি সময়ে খুব বেশি করে মদ্যপানের ইচ্ছা প্রবল হয়ে উঠছে? এমন সময়ে নরম কোনও পানীয় খান। যত বার ইচ্ছা করবে মদ্যপান করতে, তত বার জল বা অন্য পানীয় খেতে থাকুন।

৩) দিনের যে সময়ে সাধারণত মদ্যপান করেন, সে সময়ে অন্য কোনও কাজের পরিকল্পনা রাখুন। সময়টি ফাঁকা রাখবেন না।

 

৪) শরীরচর্চাও সাহায্য করে মদ্যপানের অভ্যাসে কিছুটা রাশ টানতে।

 

৫) উপরের উপায়গুলিতে একেবারেই কাজ না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। নিয়মিত থেরাপি এবং ওষুধ অনেকটাই সাহায্য করতে পারে মদ্যপান নিয়ন্ত্রণ করতে।

 

৬) কেন মদ্যপান ছাড়তে চাইছেন, সেই কারণটি সবার আগে স্পষ্ট করুন। নিজে বারংবার সেই কথাটি চিন্তা করলে নিজেকে মদ্যপান থেকে দূরে রাখা সহজ হবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।