‘সোনা’র ফোড়ন দেওয়া ডাল চেখে দেখবেন? কোথায় পাওয়া যাচ্ছে? এক বাটি ডালের দামই বা কত?

7th March 2024 12:21 pm Country News
‘সোনা’র ফোড়ন দেওয়া ডাল চেখে দেখবেন? কোথায় পাওয়া যাচ্ছে? এক বাটি ডালের দামই বা কত?


প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করতে ডাল অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি খাবার। মুগ, মুসুর, বিউলি কিংবা অড়হর— ডাল যেমনই হোক, সেদ্ধ করে তার উপর তেলে ভাজা গোটা জিরে কিংবা পাঁচফোড়ন, শুকনো লঙ্কার ফোড়ন দেওয়ার চল। তবে ডালের মধ্যে ‘সোনা’র ফোড়ন দেওয়ার কথা আগে বোধহয় এর আগে কেউ শোনেননি। রান্না নিয়ে প্রায়ই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন রন্ধনশিল্পীরা। এটার সঙ্গে ওটা মিশিয়ে সাধারণ পদকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে যান তাঁরা। আর সেই সব ভিডিয়োই ঘুরতে থাকে সমাজমাধ্যমে। তেমনই একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে সম্প্রতি। ‘ডাল কাশকন’ নামের ওই পদের বিশেষত্ব হল আসল সোনার ফোড়ন।

রন্ধনশিল্পী রণবীর ব্রারের হাতে তৈরি সেই ডালে রয়েছে নানা ধরনের ভারতীয় সুগন্ধি মশলা এবং ঘি। একেবারে শেষে ফোড়ন বা ‘তড়কা’ হিসেবে ওই ডালে দেওয়া হয় ২৪ ক্যারেট সোনার গুঁড়ো। ইনস্টাগ্রামে সেই ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন মেহুল হিঙ্গু নামের এক নেটপ্রভাবী। ভিডিয়োতে রন্ধনশিল্পী রণবীর ব্রার দেখিয়েছেন, কী ভাবে ডালের উপর ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ২৪ ক্যারেট সোনার গুঁড়ো। কাঠের বাক্সের মধ্যে এক বাটি ডাল সাজিয়ে তা পরিবেশন করা হচ্ছে ক্রেতাদের। দুবাই ফেস্টিভ্যাল সিটি মলেই রয়েছে রণবীরের নিজের রেস্তরাঁ ‘কাশকন’। সেখানে গেলেই চেখে দেখতে পারেন এই সোনা দিয়ে তৈরি এই ডাল। এক বাটি ডালের দাম ৫৮ দিরহাম অর্থাৎ ভারতীয় মূল্য প্রায় ১৩০০ টাকা।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।