দামি প্রসাধনীর মেয়াদ পেরোনোর পরও ফেলে না দিয়ে মেখে চলেছেন, কী বিপদ হচ্ছে জানেন?

29th February 2024 9:04 pm Country News
দামি প্রসাধনীর মেয়াদ পেরোনোর পরও ফেলে না দিয়ে মেখে চলেছেন, কী বিপদ হচ্ছে জানেন?


বন্ধুর থেকে নামি সংস্থার বেশ কিছু প্রসাধনী উপহার পেয়েছেন। সচরাচর মেকআপ করেন না। তাই সেগুলির রোজ ব্যবহার করতে হয় না। দামি জিনিস, যাতে তাড়াতাড়ি ফুরিয়ে না যায় তাই একটু বুঝে শুনেই ব্যবহার করেন। এর ফলে কোনও কোনও প্রসাধনীর মেয়াদও পেরিয়ে যায়। কিন্তু প্রাণে ধরে তা ফেলে দিতে পারেন না। ত্বকের চিকিৎসকেরা বলছেন, সংক্রমণজনিত সমস্যার শুরু সেখান থেকেই। মুখে র‌্যাশ, ব্রণর সমস্যা বেড়ে গেলে অনেকেই প্রসাধনীর গুণগত মান নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। সকলের ত্বকে সব ধরনের প্রসাধনী নিরাপদ নয়। সে কথা ঠিক। তা ছাড়াও ত্বকে সংক্রমণজনিত সমস্যার মূল কারণ লুকিয়ে থাকে তার মেয়াদে।

মেয়াদ উত্তীর্ণ প্রসাধনী মাখলে ত্বকে কী ধরনের সমস্যা হতে পারে?

 

১) ত্বকে অস্বস্তি

দিনে দিনে মেপআপ প্রসাধনীর মধ্যে থাকা রাসায়নিকের চরিত্র বদলাতে থাকে। ব্যাক্টেরিয়া বাসা বাঁধতে থাকে। সেই প্রসাধনী মুখে ব্যবহার করলে ত্বকে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতেই পারে। বিশেষ করে যাঁদের ত্বক স্পর্শকাতর, তাঁদের ক্ষেত্রে এই ধরনের প্রসাধনীর ব্যবহার বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

 

২) অ্যালার্জি

 

দামি সংস্থার মেকআপ প্রসাধনী ব্যবহার করে হঠাৎ মুখ লাল হয়ে গিয়েছে? জ্বালাও করছে? ত্বকের চিকিৎসকেরা বলছেন, মেয়াদ উত্তীর্ণ প্রসাধনী মাখলে র‌্যাশ তো হতেই পারে। তা ছাড়াও ত্বকে এমন ধরনের অ্যালার্জি হতে পারে, যা আগে কখনও হতে দেখেননি।

৩) চোখের সমস্যা

 

আইলাইনার, মাস্কারা, নকল চোখের পাতার মতো সাজগোজের জিনিসের মেয়াদ পেরিয়ে গেলে, তা মোটেই ব্যবহার করা উচিত নয়। এই ধরনের প্রসাধনী ব্যাক্টেরিয়ার আঁতুড়ঘর। কনজাঙ্কটিভাইটিস, ড্রাই আইজ় বা চোখ জ্বালা বা চুলকানির মতো সমস্যা দেখা দিতেই পারে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।