রবিবারের ভোজে পাঁঠার মাংস চাই-ই চাই? স্বাদবদল করতে বানিয়ে ফেলুন মটন সুখা

25th February 2024 3:24 pm Country News
রবিবারের ভোজে পাঁঠার মাংস চাই-ই চাই? স্বাদবদল করতে বানিয়ে ফেলুন মটন সুখা


রোগবালাইয়ের চোখরাঙানি উপেক্ষা করে এখনও অনেক বাঙালি বাড়িতেই রবিবারের দুপুরে পাঁঠার মাংস চাই-ই চাই। উৎসব অনুষ্ঠান আর ছুটির দিনে ভূরিভোজে মটন থাকবে না, তা আবার কখনও হয় নাকি? ছুটির দিনে বাড়িতে রেঁধে ফেলুন মটন সুখা, রইল রেসিপি।

উপকরণ:

 

পাঁঠার মাংস: ৫০০ গ্রাম (ছোট টুকরোয় কাটা)

হলুদ গুঁড়ো: ১ চা চামচ

 

লেবুর রস: ১ টেবিল চামচ

 

ঘি: ৫ টেবিল চামচ

 

শুকনো লঙ্কা: ৭-৮ টি

 

মেথি: আধ চা চামচ

 

ধনে: ২ টেবিল চামচ

 

জিরে: ১ টেবিল চামচ

 

গোটা গোলমরিচ:৭-৮টি

 

রসুন বাটা: ২ টেবিল চামচ

 

নুন: স্বাদমতো

 

লবঙ্গ: ৪-৫ টি

 

চিনি: আধ চা চামচ

 

তেঁতুলের ক্বাথ: ২ টেবিল চামচ

 

গরমমশলা গুঁড়ো: আধ চা চামচ

 

প্রণালী:

 

একটি পাত্রে মাংস নিয়ে তার সঙ্গে লেবুর রস, হলুদ, দই ও নুন মাখিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন ৩-৪ ঘণ্টা। এ বার শুকনো খোলায় ভেজে রাখুন শুকনো লঙ্কা, জিরে, ধনে, লবঙ্গ, মেথি, গোলমরিচ। ভেজে রাখা গোটা মশলা মিক্সিতে গুঁড়ো করে নিন। এ বার কড়াইতে ঘি গরম করে চিনি দিয়ে দিন। খানিক ক্ষণ নেড়েচেড়ে তাতে রসুন বাটা দিয়ে দিন। তার পর মাংস আর বেটে রাখা মশলা দিয়ে ভাল করে কষিয়ে নিন। মশলা থেকে তেল ছেড়ে এলে তেঁতুলের ক্বাথ দিয়ে দিন। কষানোর সময় অল্প অল্প করে গরম জল দিতে পারেন। মাংস সেদ্ধ হয়ে এলে গরমমশলা গুঁড়ো দিয়ে গ্যাস বন্ধ করে দিন। গরম ভাত কিংবা রুটির সঙ্গে পরিবেশন করুন মটন সুখা।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।