আপনাকে দেখে খুদেও ঠোঁট রাঙাতে চায়? সামান্য কয়েকটি উপকরণ দিয়ে বাড়িতে তৈরি করুন লিপস্টিক

21st February 2024 8:03 pm Country News
আপনাকে দেখে খুদেও ঠোঁট রাঙাতে চায়? সামান্য কয়েকটি উপকরণ দিয়ে বাড়িতে তৈরি করুন লিপস্টিক


বড়দের সাজতে দেখলে বাড়ির খুদেরাও বায়না জুড়ে বসে। একেবারে ছোট থাকতে খুদের মুখে পরিষ্কার ব্রাশ ঘষে ‘মিছিমিছি’ মেকআপ করে দিতে পারতেন। কিন্তু একটু বড় হওয়ার পর সেই খুদেকে উল্টোপাল্টা বুঝিয়ে আর ভুলিয়ে রাখা যায় না। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ঠোঁট লাল হল কি না তা বোঝার মতো চোখ তত দিনে হয়ে যায়। বছরে এক-আধটা দিন শাড়ি পরলে শিশুর ঠোঁটে হালকা লিপস্টিক লাগিয়ে দেন। কিন্তু মনের মধ্যে ভয়ও থাকে। কারণ, সেই প্রসাধনীটি শিশুর ত্বকের জন্য নিরাপদ কি না জানেন না। এ দিকে, শিশুর ত্বকের জন্য আলাদা করে প্রস্তুত করা প্রসাধনী ছাড়া অন্য কিছু তাকে মাখতে দেন না। অথচ, ঠোঁটে বড়দের লিপস্টিক মাখান। এই ধরনের লিপস্টিকে রাসায়নিক থাকে। সেই সব রাসায়নিক থেকে শিশুদের ত্বকের ক্ষতি হতেই পারে। এখনও পর্যন্ত বাচ্চাদের ত্বকের জন্য নিরাপদ লিপস্টিক তো কিনতে পাওয়া যায় না। তবে একেবারে প্রাকৃতিক কিছু উপাদান দিয়েই তা বাড়িতে তৈরি করে ফেলা যায়।

কোন কোন উপাদান দিয়ে তৈরি করবেন লিপস্টিক?

 

উপকরণ:

বিট: ১টি

 

মোম: ১ চা চামচ

 

শিয়া বাটার: ১ টেবিল চামচ

 

কাঠবাদামের তেল: ১ টেবিল চামচ

 

এসেনশিয়াল অয়েল: কয়েক ফোঁটা

পদ্ধতি:

 

১) বিটের খোসা ছাড়িয়ে, কেটে ভাল করে ধুয়ে রাখুন।

 

২) এ বার বিটের টুকরোগুলো ব্লেন্ডারে দিয়ে মিহি করে পেস্ট তৈরি করে নিন। চাইলে সামান্য জল দিতে পারেন। ভাল করে ছেঁকে নিন।

 

৩) কড়াইতে বিটের রস, কাঠবাদামের তেল, শিয়া বাটার এবং মোম দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। আঁচ একেবারে আস্তে করে রাখুন।

 

৪) সমস্ত উপকরণ ভাল করে মিশে গেলে গ্যাস বন্ধ করে দিন। এ বার উপর থেকে কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন।

 

৫) পরিষ্কার কাচের পাত্র বা শেষ হয়ে যাওয়া লিপস্টিকের টিউবের মধ্যে ওই মিশ্রণ ঢেলে রাখুন। পছন্দের পাত্রে ঢেলে ফ্রিজে রাখুন। জমে গেলেই রাসায়নিক মুক্ত লিপস্টিক তৈরি।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।