বিয়ের আগে মুখভর্তি ব্রণ চিন্তায় ফেলেছে? তবে রাতে ঘুমোনোর সময়ে এই কয়েকটি ভুল এড়িয়ে চলুন

19th February 2024 10:26 pm Country News
বিয়ের আগে মুখভর্তি ব্রণ চিন্তায় ফেলেছে? তবে রাতে ঘুমোনোর সময়ে এই কয়েকটি ভুল এড়িয়ে চলুন


শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা, এমন অনেকেই আছেন, যাঁরা সারা বছর ব্রণের সমস্যায় ভোগেন। ব্রণ হওয়ার কোনও নির্দিষ্ট বয়স নেই। কম বয়সেও হতে পারে, আবার বয়স বাড়লেও ব্রণ হওয়ার প্রবল আশঙ্কা থেকে যায়। শরীরে জলের ঘাটতি, রোজ রোজ রেস্তরাঁর তেলমশলাদার খাবার খাওয়ার প্রবণতা, হরমোনজনিত বিভিন্ন সমস্যার কারণে ব্রণ হতেই পারে। এ ছাড়া, ত্বকের পরিচর্যা ঠিক মতো না করার কারণেও ব্রণ হয়। তবে এগুলি ব্রণ হওয়ার একমাত্র কারণ নয়। অনেক সময়েই কিন্তু ঘুমোনোর সময়ে নানা অনিয়মের কারণে ব্রণ হয়। জেনে নিন, ঠিক কোন কোন ভুলের কারণে কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না ব্রণের সমস্যা।

মেক আপ না তুলেই ঘুমিয়ে পড়া: রাতে বাড়ি ফিরতে যতই দেরি হোক না কেন, আপনি যতই ক্লান্ত হয়ে পড়ুন না কেন, ঘুমোনোর আগে মেকআপ না তুলে শোবেন না। মেকআপ না তুলে ঘুমিয়ে পড়লে সকালে উঠে দেখবেন ত্বকে আরও পাঁচটা ব্রণ বেরিয়েছে। রূপটানের প্রয়োজনীয় প্রসাধনীতে নানা রকম রাসায়নিক উপাদান থাকে। যেগুলি ত্বকের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত করে তোলে। ব্রণর হাত থেকে রেহাই পেতে চাইলে চাইলে যতই ক্লান্ত থাকুন, মেকআপ না তুলে ভুলেও ঘুমোতে যাবেন না।

বালিশের ঢাকনা বদল না করা: ব্রণ হতে পারে বালিশের ঢাকনা থেকেও। অপরিষ্কার বালিশের ঢাকনা থেকেই হতে পারে ব্রণ। বালিশের ঢাকনা হল জীবাণুর আতুঁড়ঘর। মুখের ক্রিম, লালা, চোখের জল সবই বালিশের ঢাকনা শোষণ করে নেয়। এর থেকে নানা রকম ব্যাক্টেরিয়া জন্ম নেয়। ঘুমোনোর সময়ে বালিশের ঢাকনার সঙ্গে ত্বকের সংস্পর্শ হয়। আর তা থেকেই হয় ব্রণ। তাই প্রতি সপ্তাহে বালিশের ঢাকনা বদলানো জরুরি।

রাতে চুলে তেল মেখে ঘুমোনো: অনেকেই রাতে চুলে তেল মেখে ঘুমোতে যান। এই অভ্যাসের কারণেও কিন্তু ব্রণ হয়। চুলে তেল দিলে মাথার ত্বকে অতিরিক্ত পরিমাণ সিবাম উৎপাদন হয়। সিবাম কিন্তু ত্বকে ব্রণ হওয়ার অন্যতম কারণ। ব্রণের ঝুঁকি কমাতে রাতে নয়, শ্যাম্পু করার দু’ঘণ্টা আগে চুলে তেল মাখুন।

 

অপরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে মুখ মোছা: রাতে ঘুমোনোর আগে মু‌খ ধুয়ে যে তোয়ালেতে মুখ মুছছেন, সেটি আদৌ পরিষ্কার তো? মুখ মোছার জন্য সব সময়ে পরিষ্কার তোয়ালে ব্যবহার করবেন। কারণ এতে লেগে থাকা ময়লা থেকে ত্বকে সংক্রমণ হতে পারে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।