বিয়ের আগে যেসব পরীক্ষা করানো জরুরি জেনেনিন অবশ্যই

13th February 2024 8:11 pm Country News
বিয়ের আগে যেসব পরীক্ষা করানো জরুরি জেনেনিন অবশ্যই


বিয়ের বন্ধন যেহেতু সারাজীবনের, তাই মনের মিলের সঙ্গে সঙ্গে দরকার মেডিক্যাল টেস্টও। যে মানুষটির সঙ্গে সারাজীবন কাটাবেন তার মনের পাশাপাশি শারীরিক বিষয়গুলো জানাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। না হলে ভবিষ্যতে সমস্যায় পরতে পারেন। তাই আবেগে ভেসে না গিয়ে একবার করিয়ে নিন কিছু মেডিক্যাল টেস্ট। তাই জেনে নিন কি কি মেডিক্যাল টেস্ট করাবেন বিয়ের আগে…রক্ত পরীক্ষা

রক্তবাহিত নানারকম রোগ রয়েছে, যেমন- হিমোফিলিয়া, থ্যালাসেমিয়া ইত্যাদি। যার প্রভাব পরতে পারে আপনাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের উপর। তাই আগেই জেনে নেওয়া উচিত রক্তে কোন সমস্যা আছে কি না।

এইচআইভি টেস্ট

বিয়ের আগে এইচআইভি বা অন্য কোনরকম সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিসিসেজ, যেমন- গনোরিয়া, সিফিলিস, ওয়ার্টস, ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস আছে কি না তা জানার জন্য এইচআইভি টেস্ট করানো খুবই প্রয়োজন।

জেনেটিক টেস্ট

জেনেটিক ডিসঅর্ডার কিন্তু এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে ছড়ায়। তাই বিয়ের আগে জেনেটিক টেস্ট করা খুবই জরুরি। আর পারলে বিয়ের আগে দুই পরিবারেরই মেডিক্যাল হিস্ট্রি জেনে নিন।

ফার্টিলিটি টেস্ট

বন্ধ্যাত্ব সমস্যা কিন্তু বড় পিড়াদায়ক। আর আমাদের মতো দেশে সন্তান আসতে কোনো সমস্যা হলে দোষ দেওয়া হয় মেয়েদেরই। তাই বিয়ের আগে দুজনই করান ফার্টিলিটি টেস্ট। পুরুষের ফার্টিলিটি চেক করার জন্য সিমেন টেস্ট, আর মেয়েদের জন্য ওভিউলেশন টেস্ট করানো হয়।আর জননতন্ত্রে কোনরকম জেনেটিক অ্যাবনর্মালিটি আছে কিনা তা দেখার জন্য পেলভিক আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষা করানো যেতে পারে। তাছাড়া প্রোল্যাক্টিন, টেস্টোস্টেরন, ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন ইত্যাদি হরমোনের পরীক্ষা করালে ভাল হয়।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।