রোদে পুড়ে কালচে ত্বক? সমাধানে রয়েছে কিছু টিপস

10th February 2024 7:49 pm Country News
রোদে পুড়ে কালচে ত্বক? সমাধানে রয়েছে কিছু টিপস


রোদে সানস্ক্রিন ব্যবহার করে অনেকে মনে করেন ত্বকের আর কোনো ক্ষতি হচ্ছে না। কিন্তু এ ধারণা মোটেও সঠিক নয়। সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরেও সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি ত্বকে নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে। তাদের মধ্যে রোদে ত্বক জ্বলে যাওয়া সব থেকে বেশি চোখে পরে। তবে ঘরেই পাওয়া যায় এমন কিছু জিনিস দিয়ে খুব সহজে ত্বকের যত্ন নেওয়া যায়।রোদে জ্বলে যাওয়া ত্বক ঠিক করবেন যেভাবেজেনে নিন এমন কয়েকটি জিনিস সম্পর্কে যেগুলো ত্বক থেকে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মির প্রভাব খুব সহজেই দূর করতে পারবে।

বাঁধাকপি:

সবুজ শাক সবজি আমাদের শরীরে নানা উপকার করে থাকে। তবে এখানে খেতে হবে না। বরং ত্বকে মাখতে হবে। বাঁধাকপি ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিতে হবে। পরে বাঁধাকপির পাতাগুলো খুলে খুলে ত্বকে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের জন্য রেখে দিতে হবে। ভালো ফলাফলের জন্য এভাবে সপ্তাহে অন্তত দুইবার করতে হবে।

দই:

রোদে জ্বলে যাওয়া ত্বকের জন্য দই অনেক বেশি কার্যকরী। ত্বকে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের জন্য ত্বকে ভালো ভাবে মাসাজ করতে হবে। খুব কম সময়ে ভাল ফলাফল পাওয়া সম্ভব ত্বকে দই ব্যবহার করে।

অ্যালোভেরা:

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী ত্বকের দাগ এবং ক্ষত কমিয়ে আনে। পাশাপাশি ত্বকে কোনো ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার প্রভাব ফেলতে দেয় না। নিয়ম করে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করলে ত্বক উজ্জ্বল হয়।

লাউয়ের রস:

লাউ ত্বকে মাখার কথা বললে হয়তো পাগল ভাববে অনেকেই। ভাবাটাও স্বাভাবিক। কিন্তু রোদে জ্বলে যাওয়া ত্বকের যত্নে লাউয়ের রস ভালই কাজ করে। দিনে অন্তত ৩ থেকে ৪ বার ত্বকে লাউয়ের রস মাসাজ করতে হবে। ধীরে ধীরে কাজ করলেও কার্যকরী ফলাফল পাওয়া যায়।

লাল মসুরের পেস্ট:

মসুর ডাল ত্বকের জন্য নবজীবনকারী একটি উপাদান। ডাল ত্বকে মাখার জন্য এক চামচ ডাল জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে সারা রাত। সকালে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। পেস্টটি খুব বেশি পাতলা করা যাবে না। পেস্টটির সাথে টমেটো পেস্ট এবং অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নিতে হবে। ত্বকে অন্তত ৩০ মিনিট রেখে দিতে হবে। কিছুদিন নিয়ম মেনে এ কাজ করলে তবেই কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।