ডায়েটের খাবার খেয়ে সারা ক্ষণ খাই খাই করছে মন? কোন টোটকা মেনে চললে কমবে খিদে?

9th February 2024 12:31 pm Country News
ডায়েটের খাবার খেয়ে সারা ক্ষণ খাই খাই করছে মন? কোন টোটকা মেনে চললে কমবে খিদে?


শরীরে নানা রোগ বাসা বাঁধার কারণে চিকিৎসকের পরামর্শ ওজন ঝরাতে হবে। তাই সোজা পুষ্টিবিদের কাছে গিয়ে ডায়েট চার্ট বানিয়ে নিয়ে আসা। ক্যালোরি মেপে খাচ্ছেন বটে। তবে, রাস্তার ধারের দোকানগুলিতে সাজিয়ে রাখা চপ-কাটলেট আর কবাব দেখলেই আর নিজেকে সামলাতে পারেন না কেউ কেউ। ক্যালোরি মেপে খেলে ক্ষণিকের জন্য পেট ভরলেও কিছু ক্ষণের মধ্যেই খিদে পেয়ে যাচ্ছে। ডায়েট করলে নির্দিষ্ট সময় অন্তর নির্দিষ্ট পরিমাণ খাবার খেতে হয়। মাঝে ভুলভাল কিছু খেয়ে নিলেই সমস্যা। ডায়েট শুরুর দিকে খিদে পাওয়া খুবই স্বাভাবিক। তবে খিদে পেলে কী ভাবে তা সামাল দেবেন, জানতে হবে সেই টোটকাই।

১) খিদে পেলেই বেশি করে জল খেয়ে নিন। এই টোটকায় খিদে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। যে কোনও ডায়েট করার সময়ে পর্যাপ্ত জল খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদেরা। এতে শরীর থেকে টক্সিন জাতীয় পদার্থগুলি বেরিয়ে যায়। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও কম হয়। বাইরে বেরোলে সঙ্গে ডিটক্স ওয়াটার রাখতে পারেন। বারে বারে লেবু, পুদিনা, শসা, তরমুজ মেশানো জলে চুমুক দিতে থাকুন, খিদে কম পাবে।

 

২) ডায়েটে বেশি ফাইবার রাখলে খিদে কম পায়। ফাইবার খেলে পেট অনেক ক্ষণ ভরতি থাকে, খিদে কমে। ওটমিল, বার্লি, ফল ও শাকসব্জিতে ভাল মাত্রায় ফাইবার থাকে। খেতে পারেন মটর, শিম, রাজমা ও বিভিন্ন প্রকার ডালও।

৩) প্রোটিনও খিদে কমাতে সাহায্য করে। ডায়েটে চার ঘণ্টা অন্তর প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার রাখলে তা খিদে পাওয়ার অনুভূতি কমাতে সাহায্য করে। তাই ডায়েটে বেশি করে চিকেন, ডিম, পনির এবং মাছ রাখুন।

৪) ডায়েট করার আগে মন থেকে প্রস্তুত হোন। ডায়েট শুরু করলে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েন অনেকেই। এর ফলে শরীরে কর্টিসল নামক স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। এ রকম হলে কিন্তু আমরা অজান্তেই বেশি পরিমাণে খেয়ে ফেলি। এ ভাবে শত চেষ্টাতেও ওজন কমবে না। ডায়েটের সময় খুব বেশি ক্ষণ খালি পেটে থাকবেন না, অল্প অল্প করে খাবার বারে বারে খান।

 

৫) তাড়াহুড়ো করে খাবেন না। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ধীরে ধীরে চিবিয়ে খাবার খেলে পেট অনেক ক্ষণ ভরা থাকে। খিদেও কম পায়।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।