ছোট ফ্ল্যাটে ওপেন কিচেন বানাতে চান? মাথায় রাখুন এসব বিষয়

4th February 2024 11:37 pm Country News
ছোট ফ্ল্যাটে ওপেন কিচেন বানাতে চান? মাথায় রাখুন এসব বিষয়


পেট থেকেই সোজা হৃদয়। আর এই হৃদয় ছোঁয়ার মন্ত্র যদি তৈরি হয় সুন্দর একটা রান্নাঘরে, তাহলে হৃদয় জিতে নেওয়াটা হবে খুব সহজেই। কীভাবে সাজাবেন আপনার ওপেন কিচেন? রইল টিপস

১) রান্নাঘরে হালকা রঙের ক্যাবিনেট নয়। উজ্জ্বল রঙের সানমাইকা ব্যবহার করুন। মেরুন, বেগনি, সবুজের মতো বাহারি রঙের সানমাইকা ভোল বদলে দেবে আপনার রান্নাঘরের।

২) বসার ঘর কিংবা বেড রুম নয়, হেঁশেলকেও কিন্তু নানা রকম লাইট দিয়ে সাজিয়ে তুলতে পারবেন। আলো কিন্তু অন্দরসজ্জার গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। তাই রান্নাঘরে আলো নিয়ে খেলা করলে দেখতে বেশ ভালই লাগে।

৩) গ্যাসের স্ল্যাব আর দেওয়ালে টাইলসের বদলে কালো মার্বেলের ব্যবহার করতে পারেন।

৪) রান্নাঘরের মেঝেতেও বদল আনতে পারেন। হেঁশেলে কাঠের মেঝে বেশ ভাল মানায়। আর খুব বেশি খরচ করতে না চাইলে, কাঠের ট্রেক্সারযুক্ত ম্যাটও ব্যবহার করতে পারেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।