শীত হোক বা বর্ষা যে কোনও সময় চলতে পারে আইসক্রিম কী ভাবে বাড়িতেই বানাবেন চকোবার?

2nd February 2024 10:50 pm Country News
 শীত হোক বা বর্ষা যে কোনও সময় চলতে পারে আইসক্রিম কী ভাবে বাড়িতেই বানাবেন চকোবার?


ঠান্ডা হোক বা বর্ষা যে কোনও সময় আইসক্রিম খেতে বেশ লাগে। অনুষ্ঠান বাড়িতে গিয়েও অনেকে শেষ পাতে খোঁজ করেন এই আইসক্রিমের। ভরা গরমে তো কথাই নেই। তখন কাপের পর কাপ আইসক্রিম উড়ে যায়।শরীরের জন্য ভাল না হলেও আইসক্রিমে কারোর না নেই। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণ ক্যালেোরি থাকে। আর আইসক্রিম খেলে ক্যাভিটির সমস্যা হয় সঙ্গে ওজনও বাড়েএই আইসক্রিমের লোভ থেকে বাচ্চাদের ঠেকিয়ে রাখা দায়। বড়রাও তো আর কম যায় না। আর তাই বাড়িতেই এবার বানিয়ে ফেলুন আইসক্রিম। আইসক্রিম তো সকলেই বানাতে জানেন। তবে পছন্দের চকোবার বানাতে জানেন কি?চকোবার এবার বানিয়ে নিন বাড়িতে। হাফ লিটার দুধ গরম করতে বসান। হালকা গরম হলে ২ চামচ গুঁড়ো দুধ মিশিয়ে নিতে হবে। দুধ ফুলে উঠতে শুরু করলে নেড়ে ঘন করে নিতে হবে।৩ চামচ চিনি দিন দুধের মধ্যে। ফুটে উঠতে শুরু করলে একটা কাপে এক চামচ কর্নফ্লাওয়ার আর এক চামচ জল মিশিয়ে দুধের মধ্যে দিয়ে ঘন করে নিতে হবে।এতে সুন্দর টেক্সচার আসবে। দুধের মধ্যে ১ চামচ ভ্যানিলা এসেন্স মিশিয়ে দিতে হবে। ক্রমাগত নেড়ে ঘন করতে থাকুন। সিলিকনের আইসক্রিম মোল্ট নিন। মোল্ডে একদম ঘন দুধ ঢেলে দিন। তার আগে কাঠি বসিয়ে নেবেন।১২ ঘন্টা ডিপফ্রিজে রেখে দিতে হবে। একটা গ্লাসে চকোলেট সিরাপ নিন হাফ গ্লাসের কিছু বেশি। এখান থেকে আইসক্রিম বের করে চকোলেট সিরাপে ডুবিয়ে নিতে হবে। এবার একটা থালায় তা রাখুন। দ্বিতীয়বার চকোলেটে কোটিং করে আবারও ২ ঘন্টা ডিপফ্রিজে রাখতে হবে।চাইলে উপর থেকে চকোচিপ, বিভিন্ন বাদাম ছড়িয়ে দিতে পারেন। সেই সঙ্গে চকোলেট গলিয়ে তার মধ্যেও আরও একবার কোটিং করে নিতে পারেন। এভাবে বানানো আইসক্রিম খেতে কিন্তু দুর্দান্ত হয়।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।