বাড়িতে বসে তৈরী করুন মেকআপ রিমুভার

2nd February 2024 10:41 pm Country News
বাড়িতে বসে তৈরী করুন মেকআপ রিমুভার


পতিদিনই হালকা কিংবা ভারী মেকআপ ব্যবহার করা হয় নানান কারণে। ঘরোয়া অনুষ্ঠান কিংবা বড় কোন অফিসিয়াল পার্টিতে থাকা চাই মেকআপের ছোঁয়া। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় মেকআপ তোলার ক্ষেত্রে। দীর্ঘ সময় নিয়ে মেকআপ করা হলেও মেকআপ তোলার সময় যেন আমাদের বড্ড তাড়াহুড়া। কিন্তু মনে রাখা প্রয়োজন, মেকআপ মুখে দীর্ঘ সময় রেখে দেবার ফলে দেখা দিতে পারে ব্রণ সহ ত্বকের নানান ধরণের সমস্যা।মেকআপ তোলার ক্ষেত্রে সাধারণত কেমিক্যালযুক্ত মেকআপ রিমুভার ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এইসকল মেকআপ রিমুভার ত্বকের উপর নেতিবাচক প্রভাব তৈরি করে। কারণ এই সকল পণ্যে উচ্চমাত্রায় কেমিক্যাল পণ্য ব্যবহার করা হয়। তাইতো মেকআপ তোলার ক্ষেত্রে সবচেয়ে উপযোগী হলো প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি মেকআপ রিমুভার ব্যবহার করা। এক্ষেত্রে অ্যালোভেরা জেল সবচেয়ে উপকারী উপাদান। অ্যালোপভেরা জেলের প্রদাহ বিরোধী উপাদান ও অ্যান্টিসেপটিক উপাদান ত্বকে র‍্যাশ, ব্রণ ও কালচে ছোপ দেখা দেওয়া প্রতিরোধ করে।

চলুন জেনে নেওয়া যায় অ্যালোভেরার জেল দিয়ে তৈরি দুইটি সহজ ও উপকারী মেকআপ রিমুভার তৈরির পদ্ধতি।

অ্যালোভেরা জেল ও মধুর মেকআপ রিমুভার

এটা তৈরিতে প্রয়োজন হবে- ১/৪ কাপ অ্যালোভেরা পাতার জেল, ১/৪ কাপ মধু প ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল/ নারিকেল তেল। এই সকল উপাদান একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করতে হবে। একটি পরিষ্কার ভেজা কাপড়ের সাহায্যে পেস্ট নিয়ে মেকআপ ধীরে ধীরে তুলে ফেলতে হবে। বাকি পেস্টটুকু একটি মুখবন্ধ কাঁচের জারে পরবর্তি ব্যবহারের জন্য তুলে রাখতে হবে। এই পেস্টটির মেয়াদ থাকবে সাতদিন।

অ্যালোভেরা জেল ও গোপালজলের মেকআপ রিমুভার

সকল ধরণের ত্বকের সাথে মানানসই এই মেকআপ রিমুভার তৈরিতে প্রয়োজন হবে- ১/৪ কাপ অ্যালোভেরা জেল, ১/২ কাপ গোলাপজল ও ২ চা চামচ গ্লিসারিন। সকল উপকরণ একসাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করার পর ব্যবহার করতে হবে। এই মিশ্রণটি মুখে সরাসরি অথবা কাপড়ের সাহায্যেও ব্যবহার করা যাবে। মুখে সরাসরি ব্যবহার করলে পরবর্তিতে কুসুম গরম জলর সাহায্যে মুখ ধুয়ে নিতে হবে।

অ্যালোভেরা জেল ও আমন্ড অয়েলের মেকআপ রিমুভার

 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।