১২০০ টাকার তাঁবুতেই কাটাবেন রাত শুনবেন নদীর কলকল শব্দ কম খরচেই ঘুরে আসুন এই পাহাড়ি গ্রাম

27th January 2024 8:12 pm Country News
১২০০ টাকার তাঁবুতেই কাটাবেন রাত শুনবেন নদীর কলকল শব্দ কম খরচেই ঘুরে আসুন এই পাহাড়ি গ্রাম


ছোট্ট পাহাড়ি এক শহর। কথা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের কালিম্পংয়ের (Kalimpong) যাকে বাঙালিরা এখন বোঝে অফবিট-পাহাড়ি ভ্রমণের জায়গা হিসেবে অর্থাত্‍, দার্জিলিং ঘুরে, গ্লেনারিজে খেয়ে, ভিড়ভাট্টায় ক্লান্ত লাগলে কালিম্পং শহর বা আরও ভেতরের গ্রামগুলো হতে পারে আপনার গন্তব্য।তেমনই নতুন ঠিকানা এখন কালিম্পং জেলার ১ নম্বর ব্লকের নিমং গ্রাম পঞ্চায়েতের দলবচান্দ গ্রামের শিকারটার এলাকা। এখানে পা রাখলে প্রকৃতির কোলে নিরিবিলিতে কেটে যাবে কয়েকটা দিন। যেখানে আপনার সঙ্গী হবে শুধু নদীর জলের কুলকুল শব্দ। সঙ্গে পেয়ে যাবেন ঘীস নদীর কোলেই রাত্রিবাসের সুযোগ।পিকনিক স্পট হিসেবে অবশ্য এই জায়গাটির জুড়ি মেলা ভার। পর্যটকদের থাকার জন্য রয়েছে মোট ১০টি টেন্ট। চাইলে তাঁবুতে রাত কাটানোর সুবিধেও পাবেন পর্যটকরা। পাশাপাশি ছোট হোমস্টেতে থাকার সুবিধাও রয়েছে। এই পর্যটন কেন্দ্রটি স্থানীয় যুবকদের হাত ধরেই ধীরে ধীরে গড়ে উঠছে। সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে নিমং গ্রাম পঞ্চায়েত।এখন মূল প্রশ্ন হল কীভাবে যাবেন? নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে এই শিকারটার গ্রামের দূরত্ব মাত্র ৪০ কিলোমিটার। যে কোনও গাড়ি খুব সহজেই পৌঁছে দেবে। থাকা-খাওয়া সবমিলিয়ে জনপ্রতি খরচ পড়বে ১২০০ টাকা। চারদিকে পাহাড়ে ঘেরা এই পর্যটনকেন্দ্রের উদবোধন করেন নিমং গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দেবি ডোলমা তামাং।এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো, এখান থেকে খুব সহজে গরুবাথান, ঝান্ডি, লাভা, লোলেগাঁও ঘুরতে যেতেও পারবেন। ডোলমা তামাং বলেন, রাস্তাঘাট এখনও কিছুটা খারাপ আছে। পর্যটনের উন্নতি ঘটলে এলাকায় বেকারত্ব কমবে। বহু যুবক-যুবতী কাজের সন্ধানে ভিন্ন রাজ্যে চলে গিয়েছে, তারা এবার নিজের গ্রামে ফিরবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।