ফুড অ্যালার্জি থেকে মুক্তি পেতে ৭টি সহজ টিপস জানা জরুরি আপনারও

27th January 2024 7:48 pm Country News
ফুড অ্যালার্জি থেকে মুক্তি পেতে ৭টি সহজ টিপস জানা জরুরি আপনারও


ফুড অ্যালার্জিতে অনেকেই আক্রান্ত। সেন্টার অফ ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশনের মতে ফুড অ্যালার্জি ৪ থেকে ৬ পারসেন্ট শিশু এবং ৪ পারসেন্ট বড়দের মধ্যে দেখা যায়। বিশেষ কোন খাবার যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সাথে অসহনশীল। আর এই খাবারগুলো খেলে শরীরে চুলকানি, লাল হয়ে যাওয়া, ফুলে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।এই সমস্যাকে ফুড অ্যালার্জি বলা হয়। ফুড অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হলে চিকিত্‍সকের পরামর্শ অনুযায়ী চলা উচিত। তবে কিছু উপায় আছে যা অনুসরণ করলে ফুড অ্যালার্জিতে দূরে থাকা সম্ভব। ১। আদা আদার অ্যান্টি ইনফ্লামমেটরি, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান হজমের সমস্যা দূর করে। এর সাথে চুলকানি, জ্বালাপোড়া রোধ করে থাকে। দুই তিন কাপ আদা চা পান করুন। দুই তিন কাপ জলে কয়েক টুকরো আদা দিয়ে দিন ১০ মিনিট জ্বাল দিন। এরসাথে চাইলে এক চা চামচ মধু মেশাতে পারেন। এটি কুসুম গরম অবস্থায় পান করুন। এছাড়া এক চা চামচ আদার রস এবং মধু একসাথে মিশিয়ে খাবার খাওয়ার আগে খান। এটি হজম শক্তি বৃদ্ধি করবে। ২। আপেল সাইডার ভিনেগার এক গ্লাস গরম জলে এক টেবিল চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার, এক চা চামচ মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এটি দিনে ২ থেকে ৩ বার পান করুন। আপেল সাইডার ভিনেগারে অ্যান্টিহিস্টামিন এবং অন্যান্য উপাদান বিভিন্ন ফুড অ্যালার্জি দূর করে থাকে। ৩। খাবার এড়িয়ে চলা যেসকল খাবারের আপনার অ্যালার্জি হয়ে থাকে সেগুলো এড়িয়ে চলুন। সাধারণত চীনাবাদাম, ডিম,দুধ,সয়া,সামুদ্রিক খাবার,বিভিন্ন কেমিক্যাল দেওয়া খাদ্য,শাকজাতীয় খাবার,চিংড়ি, গরুর মাংস ইত্যাদি খাবার অ্যালার্জি হয়ে থাকে। কোন খাবারে অ্যালার্জি হচ্ছে তা বোঝার জন্য দুই-তিন দিনের খাবারে লিস্ট তৈরি করুন। তার মধ্যে থেকে যে খাবারটি অ্যালার্জি কারণ সেটি খুঁজে বের করুন। সে খাবারটি এড়িয়ে চলা আপনার জন্য ভালো। ৪। গাজর এবং শসার রস গাজর এবং শসার রস একসাথে মিশিয়ে পান করুন। গাজর এবং শসার অ্যান্টিঅ্যালার্জিক উপাদান ত্বকের চুলকানি, লাল লাল ভাব দূর করে থাকে। ৫। গ্রীণ টি সবুজ চায়ের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি ইনফ্লামেন্টরী উপাদান ফুড অ্যালার্জি




Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।