পেঁয়াজ কাটতে গেলেই চোখে জল আসে? একটু বুদ্ধি খরচ করলেই আর কাঁদতে হবে না

25th January 2024 8:33 pm Country News
পেঁয়াজ কাটতে গেলেই চোখে জল আসে? একটু বুদ্ধি খরচ করলেই আর কাঁদতে হবে না


রান্না করতে ভাল লাগলেও পেঁয়াজ কাটার নাম শুনলেই কান্না পায় অনেকের। আমিষ কোনও রান্না হলে তাতে পেঁয়াজ দিতেই হবে! আর রান্নার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বিরক্তিকর জিনিস হল পেঁয়াজ কাটা! বিরিয়ানি হোক কিংবা মুরগির কোর্মা, মাছের কালিয়া হোক কিংবা পাঁঠার মাংস— রান্নায় পেঁয়াজ না পড়লে স্বাদ মোটেই আসে না।কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন, কেন পেঁয়াজ কাটার সময় চোখে জ্বালা করে? পেঁয়াজে থাকা সালফেনিক অ্যাসিডের কারণেই মূলত সমস্যা হয়। পেঁয়াজ কাটার পর সালফেনিক অ্যাসিড বেরিয়ে অন্য এনজাইমের সঙ্গে মিশে যায়। তাতেই তৈরি হয় সারফার গ্যাস। সেটাই চোখে গিয়ে চোখ জ্বালা করে, জল বেরিয়ে যায়। ঠিক একই কারণে পেঁয়াজ কাটার অনেক ক্ষণ পরেও হাতে গন্ধ লেগে থাকে।রোজের রান্না করার সময় দু'-চারটে পেঁয়াজ কেটে ফেলা যায়। তবে বাড়িতে কোনও অনুষ্ঠান হলে বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ কাটতে হয়। আর তখনই আসে বিরক্তি। তবে পেঁয়াজ কাটার সময় কয়েকটি টোটকা মেনে চললে আর এই সমস্যায় ভুগতে হবে না। জেনে নিন, কী ভাবে হবে মুশকিল আসান।

১) পেঁয়াজের খোসা ছাড়িয়ে ঘণ্টা খানেক ডিপ ফ্রিজারে ভরে রাখুন। ফ্রিজ থেকে বার করে পেঁয়াজ কাটলে চোখে আর জল আসবে না।

২) পেঁয়াজ কাটার সময়ে যত ধারালো ছুরি ব্যবহার করবেন, ততই কম কাঁদতে হবে। অবাক লাগলেও এই পদ্ধতি কাজ করে। পেঁয়াজের কোষে কম ক্ষতি করে ধারালো ছুরি। তাই খুব বেশি এনজাইম বেরোয় না।

৩) পেঁয়াজের খোসা ছাড়িয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ঠান্ডা জলেও ডুবিয়ে রাখতে পারেন। এতে সালফেনিক অ্যাসিড ধুয়ে যাবে আর কাটার সময় চোখে জল আসবে না। তবে পেঁয়াজ এ ক্ষেত্রে অনেক পিচ্ছিল হয়ে যায়। তাই সাবধানে ছুরি ব্যবহার করা উচিত।

৪) মোমবাতি জ্বালিয়ে কিংবা গ্যাসের আঁচের সামনে রেখে পেঁয়াজ কাটুন। এতে আগুনের শিখা পেঁয়াজের সারফার গ্যাস টেনে নেবে।

৫) প্রথমে পেঁয়াজ দু'টুকরো করে কাটা দিকটি ঘুরিয়ে চপিং বোর্ডের উপর রাখুন। কাটা দিকটি উন্মুক্ত থাকলেই সমস্যা হবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।