রিলায়্যান্স সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন মুকেশ-কন্যা, তাঁর মাসিক পারিশ্রমিক কত, জানেন?

19th January 2024 8:05 pm Country News
রিলায়্যান্স সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন মুকেশ-কন্যা, তাঁর মাসিক পারিশ্রমিক কত, জানেন?


পারিবারিক ব্যবসার হাল উত্তরাধিকার সূত্রে পরবর্তী প্রজন্মের হাতেই যায়। অম্বানী পরিবারের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। রিলায়্যান্স সংস্থার দায়িত্ব তিন সন্তানের হাতে তুলে দিয়েছেন মুকেশ অম্বানী। গত বছরই রিলায়্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজের বার্ষিক বৈঠকে নীতা অম্বানী সংস্থার বোর্ড থেকে সরে দাঁড়ান। অনন্ত, আকাশ এবং ইশা অম্বানীকে বোর্ডের ডিরেক্টর হিসাবে নিয়োগ করা হয়। সংস্থার নন-এগ্‌জ়িকিউটিভ ডিরেক্টর হিসাবে নিয়োগ করা হয় ইশাকে।

নিজের সংস্থা হলেও বাকি কর্মীদের মতোই পারিশ্রমিক পান ইশা। তবে স্বাভাবিক ভাবেই বেতনের পরিমাণে একটা হেরফের থাকেই। একটি রিপোর্ট সূত্রে খবর, সংস্থা থেকে মাসিক ৩৫ লক্ষ টাকা বেতন পান ইশা। তাঁর বার্ষিক বেতন আনুমানিক ৪.২ কোটি টাকা। সংস্থার শেয়ার থেকেও আলাদা আয় ইশার। এ ছাড়া রিলায়্যান্স বোর্ডের সদস্য হওয়ার জন্যেও আলাদা বেতন ও কমিশন রয়েছে তাঁর।

 

৩১ বছর বয়সি ইশার আনুমানিক সম্পত্তির পরিমাণ ১০ কোটি ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ৮০০ কোটি টাকারও বেশি। করোনার সময় মুকেশ নিজে কিন্তু সংস্থা থেকে কোনও পারিশ্রমিক নেননি। ২০২০-২১ সালে মুকেশ স্বেচ্ছায় বেতন না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষেও সেই সিদ্ধান্ত বজায় আছে। তবে সংস্থার আধিকারিকদের বেতন কমাননি। অতিমারির আগে যদিও মুকেশ নিয়মিত বেতন নিতেন। তখন বছরে ১৫ কোটি টাকা পারিশ্রমিক ছিল তাঁর।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।