সকালে খালি পেটে ঘি দিয়ে কফি খান জাহ্নবী-ভূমিরা! রোগা হতে কী ভাবে সাহায্য করে এই পানীয়?

18th January 2024 7:20 pm Country News
সকালে খালি পেটে ঘি দিয়ে কফি খান জাহ্নবী-ভূমিরা! রোগা হতে কী ভাবে সাহায্য করে এই পানীয়?


কফির সঙ্গে ঘি মিশিয়ে খেলেই নাকি ঝরবে ওজন। শুনতে অবাক লাগলেও জাহ্নবী কপূর, ভূমি পেড়নেকর, শিল্পা শেট্টির মতো বলিউডের অভিনেত্রীরা কিন্তু দিনের শুরুটা করেন এই পানীয় দিয়েই। এক কাপ জলে এক চামচ ঘি আর ১ চামচ কফি মিশিয়ে তৈরি করা হয় এই পানীয়। এই কফি পেট অনেক ক্ষণ ভরা রাখতে সাহায্য করে ও খিদে কমায়। ঘিয়ে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট খিদে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং বেশি খাওয়ার প্রবণতা কমাতে সাহায্য করে। দিনের শুরুটা এই পানীয় দিয়ে করলে ওজন বাগে থাকে। শুধু ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেই নয়, এই পানীয় কিন্তু ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্যেও বেশ উপকারী। জেনে নিন, কী কী কারণে এই পানীয়ে চুমুক দিয়ে দিন শুরু করবেন।

১) সারা বছর ধরে গ্যাস-অম্বল বদহজমের সমস্যায় ভোগেন? এই পানীয় নিয়মিত খেলে হজম ভাল হয়, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকেও রেহাই পাওয়া যায়। পেটের কথা ভেবে নিয়মিত পান করতে পারেন এই পানীয়।

 

২) শীতকালে গাঁটে গাঁটে যন্ত্রণা শুরু হয়। বাতের ব্যথা থাকলে কিংবা হাঁটু, কোমরে ব্যথা হলে এই পানীয়ের উপর ভরসা রাখতে পারেন। উপকার মিলবে।

৩) এই পানীয় রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। সকাল সকাল এই পানীয় দিয়ে দিন শুরু করলে শরীরে রক্তের শর্করার ভারসাম্য ঠিক থাকে, শরীরে স্ফূর্তি আসে।

৪) রোজ সকালে এক চামচ ঘি খেলে ত্বকের জেল্লা বজায় থাকে। শীতকালে এমনিতেই শরীরে জলের ঘাটতি হয়, ত্বক শুষ্ক দেখায়। ঘি কফি দিয়ে দিন শুরু করলে ত্বক টান টান হবে, উজ্জ্বল দেখাবে।

 

৫) ঘিয়ে থাকে ভিটামিন এ, ডি, কে-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এই সব উপাদান চুলের জন্যেও বেশ উপকারী। চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে এই ভিটামিনগুলি।

 

পরিমিত মাত্রায় ঘি খাওয়া স্বাস্থ্যকর। তবে মাত্রা বেশি হয়ে গেলেই কিন্তু হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই সতর্ক হয়ে খেলে তবেই হাতেনাতে ফল পাবেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।