জিহ্বার কালো দাগ নিয়ে চিন্তিত? দূর করুন এই উপায়ে

18th January 2024 6:55 pm Country News
জিহ্বার কালো দাগ নিয়ে চিন্তিত? দূর করুন এই উপায়ে


সাদ গ্রহণ করা ছাড়াও জিভ আমাদের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের সূচক হিসেবেও কাজ করে। খেয়াল করে দেখবেন চিকিত্‍সকের কাছে গেলেই তিনি আগে আপনার জিভ ভালো করে পরীক্ষা করে নেন। কেননা জিভের রং এবং স্বাস্থ্য দেখেই বোঝা যায় কতটা সুস্থ আপনি। তাই নিয়মিত জিভের যত্ন নেয়া দরকার।জিভ পরিষ্কার না করলে জিভে খাবার জমে জমে ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়।আর ব্যাকটেরিয়ার ফলেই স্বাস্থ্য খারাপ হতে পারে। জিভ সাধারণত গোলাপি রঙের হয়। যদি বেশি লাল হয় তাহলে বুঝবেন হজমের সমস্যা হচ্ছে আপনার। অনেকের জিভে কালো ছোপ দেখা যায়। জিভের সামনের দিকে বা মাঝখানে এই দাগ দেখা যায়। মৃত কোষ, ব্যাকটেরিয়া, খাবার ভালোভাবে পরিষ্কার না হওয়া ইত্যাদি জিভের দাগ হওয়ার কারণ। আবার বডি টিস্যুতে যথেষ্ট অক্সিজেন যদি রক্ত না পৌঁছে দেয় তাহলেও জিভে কালো স্পট দেখা দিতে পারে।জিভ পরিষ্কার করতে নরম টুথব্রাশ ব্যবহার করুন, দিনে দু'বার হালকাভাবে জিভে ব্রাশ করুন। এটি করলে জিভে থাকা ব্যাকটেরিয়া এবং ডেড স্কিন সেলস দূর হবে। প্রতিবার খাওয়ার পর জিভ ও দাঁত ব্রাশ অবশ্যই করতে হবে। তামাকজাত জিনিস থেকে দূরে থাকলে জিভের কালো দাগ থেকে মুক্তি পাবেন। এছাড়াও এই কালো দাগ দূর করার কয়েকটা ঘরোয়া উপায় রয়েছে। চলুন জেনে নেয়া যাক সেসব-

আনারস

আনারসে ব্রোমেলিন থাকে যা কালচে দাগ দূর করে এবং জিভকে মৃত ত্বকের কোষ থেকে মুক্তি দেয়। প্রতিদিন আনারস খেলে দেখবেন কয়েক দিনের মধ্যে কালো দাগ হালকা হয়ে গেছে!

দারুচিনি এবং লবঙ্গ

দারুচিনি এবং লবঙ্গও জিভের কালো দাগ দূর করতে দারুন কাজ করে। দুই টুকরো দারুচিনি ও চারটি লবঙ্গ নিন। এক গ্লাস জলে ভালো করে ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করুন। তারপর সেই জল দিয়ে গার্গল করুন। দিনে দু'বার এটা করলে কালো দাগ দূর হবে।

রসুন

জিভের কালো দাগের ওপর এক কোয়া রসুন নিয়ে ঘষুন। এক মাস ধরে প্রতিদিন এটি করলে ভালো ফল পাবেন।

অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরা কোলাজেন কাঠামোর উন্নতি করে দাগ দ্রুত নিরাময় করতে সহায়তা করে। জিভের কালো দাগে অ্যালোভেরা জেল লাগালে দাগ ধীরে ধীরে চলে যাবে। অ্যালোভেরা জুস খেলেও কাজ হবে।

নিম - নিম ব্যাক্টেরিয়াল সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে এবং এটি প্রাকৃতিক দাগ অপসারণকারী। 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।