এবার প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক দিলে কারণ লিখতে হবে চিকিত্‍সকদের

18th January 2024 6:42 pm Country News
এবার প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক দিলে কারণ লিখতে হবে চিকিত্‍সকদের


আন্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধ করতে একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রেসক্রিপশনে যেকোনো অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের নাম লেখার সময় চিকিত্‍সকদের কারণ উল্লেখ করতে হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দফতর।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ডিরেক্টর অতুল গয়াল মেডিকেল কলেজগুলিতে লিখিতভাবে অনুরোধ করেছেন যাতে তারা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালগুলি নির্ধারণ করার সময় যথাযথ ইঙ্গিত, কারণ এবং যুক্তি উল্লেখ করতে বাধ্য হয়।শুধু চিকিত্‍সক বা অধ্যাপক নয়, ওষুধ বিক্রেতাদেরও সতর্ক করা হয়েছে কোনো বৈধ ব্যবস্থাপত্র ছাড়া কোনো অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ গ্রাহকদের না দিতে। কারণ এবং ডোজ ডাক্তারের নির্দেশে দেখেই অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ দিতে হবে।   

একটু ঠান্ডা, ওষুধ আছে। আপনাকে যা করতে হবে তা হল অ্যান্টিবায়োটিকের একটি কোর্স। দুই দিন জ্বর থাকলে ডাক্তার দেখানোর দরকার কি? আমি ওষুধ জানি, ওষুধের দোকান থেকে কিনতে হবে। তবে নিরাপত্তার এই দাবির ে অসুস্থতা সারানোর এই প্রবণতা বড় বিপদ ডেকে আনছে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।