সারা বছরই শিশু সর্দিতে ফ্যাঁচ ফ্যাঁচ করছে? স্নান করানোর পদ্ধতি বা সময়ে ভুল হচ্ছে না তো?

16th January 2024 8:52 pm Country News
সারা বছরই শিশু সর্দিতে ফ্যাঁচ ফ্যাঁচ করছে? স্নান করানোর পদ্ধতি বা সময়ে ভুল হচ্ছে না তো?


সারা বছরই সর্দিতে নাজেহাল অবস্থা হয়। দু’দিন অন্তর সন্তানকে নিয়ে হোমিয়োপ্যাথ চিকিৎসকের কাছে ছোটেন। এই সমস্যা শীতে আরও গুরুতর হয়। ঠান্ডা লাগার ভয়ে রোজ স্নানও করাতে পারেন না। কিন্তু তাতে যে খুব সুবিধে হয় তা-ও নয়। বাচ্চাকে স্নান না করিয়ে না কি হিতে বিপরীত হচ্ছে। তবে চিকিৎসকেরা বলছেন, স্নানের সময় এবং পদ্ধতিতে সামান্য পরিবর্তন আনলে এই সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যার নিষ্পত্তি হবে। শুধু তাই নয়, সামগ্রিক সুস্থতার জন্য পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাও জরুরি। তাই নিময় মেনে নিয়মিত স্নান করাতে হবে শিশুদের। তবে মাথায় রাখতে হবে কয়েকটি বিষয়। যদি সন্তানের ঠান্ডা লাগার ধাত থাকে, সে ক্ষেত্রে সকালের দিকে স্নান করিয়ে নেওয়াই ভাল। বেলা বাড়লে রোদের তেজ কমতে থাকে। ঠান্ডা লাগার আশঙ্কা থেকেই যায়।

সন্তানকে স্নান করানোর আগে আর কোন কোন বিষয় মাথায় রাখবেন?

 

১) জলের তাপমাত্রা কেমন

শিশুকে যে জলে স্নান করাচ্ছেন, তার তাপমাত্রা কেমন সেই বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। শীত বাড়ছে মানেই খুদেকে খুব গরম জলে স্নান করাতে হবে, এমন কোনও যুক্তি নেই। আবার অনেকেই মনে করেন, কনকনে ঠান্ডার মধ্যেও কলের জলে স্নান করা উচিত। শিশুদের জন্য তা-ও ঠিক নয়। কবোষ্ণ জলে শিশুদের স্নান করান। স্নানের জলের জন্য ঠান্ডা-গরমের সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি।

 

২) মোছার দিকে নজর দিন

 

কোনও রকমে স্নান করিয়েই ছেড়ে দেবেন না। রোমকূপের গোড়ায় গোড়ায় জল জমে থেকেও বাচ্চাদের সর্দি-কাশি হতে পারে। তাই গা যেন একেবারে শুকনো করে মোছা হয়, সে দিকে নজর দিন।

৩) স্নানের পরই গরম জামা পরান

 

স্নান করানোর আগেই ঠিক করে রাখুন বাচ্চাকে কী পোশাক পরাবেন। স্নানঘরে আগে থেকে সেগুলি রেখেও দিয়ে আসতে পারেন। স্নান করানোর পর, ভাল করে মুছিয়ে সেই পোশাক পরিয়ে তবেই বাইরে বার করুন। ভেজা গায়ে স্নানের ঘর থেকে বার করলে চট করে ঠান্ডা লেগে যেতে পারে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।