দুধ চা খেলে গ্যাস হয়, লিকার না-পসন্দ? শীতের সকালে চাঙ্গা থাকতে চুমুক দিন ৩ পানীয়ে

15th January 2024 8:11 pm Country News
দুধ চা খেলে গ্যাস হয়, লিকার না-পসন্দ? শীতের সকালে চাঙ্গা থাকতে চুমুক দিন ৩ পানীয়ে


শীতের সকালে ঘুমভাঙা চোখে আড়মোড়া ছা়ড়তে ছা়ড়তে এক কাপ দুধ চা পেলে আর কিছু চাই না। ঠান্ডা খানিকটা কমে, আবার শরীরও চাঙ্গা হয়। কুয়াশামাখা সকালে বিছানা ছাড়তে ইচ্ছা করে না একেবারেই। গরম চায়ে চুমুক দিলে ধীরে ধীরে আলসেমি দূর হয়। কম্বল থেকে বেরোতে সুবিধা হয়। কিন্তু এত সুবিধা থাকা সত্ত্বেও সকালে দুধ চা খেতে বারণ করেন পুষ্টিবিদেরা। কারণ, দুধ চা খেলেই গ্যাস হয়ে যাওয়ার একটা প্রবল আশঙ্কা থাকে। চোঁয়া ঢেকুর, অম্বল, মাথা যন্ত্রণার ঝুঁকি তো থাকেই। চাঙ্গা হতে গিয়ে শারীরিক অসুস্থতা দিয়ে দিন শুরু হোক, সেটা কাম্য নয়। তাই জড়তা কাটাতে চাইলে দুধ চায়ের বিকল্প পানীয় বেছে নিতে হবে।

তুলসী চা

 

ঠান্ডার মরসুমে সর্দি-কাশি লেগেই থাকে। তবে যদি রোজ এক কাপ করে তুলসী চা খেতে পারেন, তা হলে ঠান্ডা লাগার আশঙ্কা কিন্তু অনেকটাই কমবে। একটি পাত্রে জল গরম করে তাতে তুলসী পাতা ফুটিয়ে নিন। তার পর মধু ও লেবু মিশিয়ে নিলেই তৈরি তুলসী চা। লেবুতে থাকা ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। ডায়াবিটিসের সমস্যা থাকলে নিয়মিত তুলসী চা খান, এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

দারচিনি চা

 

অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে কিন্তু খেতে পারেন দারচিনি চা। শীতের সকালে মন্দ লাগবে না। একটি পাত্রে জল গরম করে দারচিনি গুঁড়ো, লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে নিন। তার পর তা ছেঁকে খান। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, যা বিভিন্ন রোগ থেকে শরীরকে বাঁচাতে সহায়তা করে।

পুদিনা চা

 

বদহজমের সমস্যায় ভুগছেন? পুদিনা পাতার চা খেতে পারেন। জল গরম করে তাতে কুচি কুচি করে কয়েকটা পুদিনা পাতা কেটে মিনিট ১৫ ঢাকা দিয়ে রাখুন। পাতা কেটে দিলে পুদিনার গন্ধটা পুরোটাই পাওয়া যাবে। এই চা খেলে নিমেষেই দূর হয়ে যাবে যে কোনও শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।