হাত না লাগিয়ে খুলবে, বন্ধ হবে! পরিষ্কার হবে নিজেই, বাড়িতে স্মার্ট কমোড বসাতে কত খসবে?

15th January 2024 8:10 pm Country News
হাত না লাগিয়ে খুলবে, বন্ধ হবে! পরিষ্কার হবে নিজেই, বাড়িতে স্মার্ট কমোড বসাতে কত খসবে?


যতই বলুন সংসারে নারী-পুরুষের দায়িত্ব সমান। কাজে করতে গেলেই বাস্তবের মাটিতে এসে পড়তে হয়। ছুটির দিন স্নান করতে গিয়ে সকলের ব্যবহার করা কমোডটি ব্রাশ হাতে আপনাকেই পরিষ্কার করতে হয়। এই নিয়ে নিত্য দিন ঝামেলা লাগে। এই ঝামেলা থেকে পাকাপাকি মুক্তি দিতে তৈরি হয়েছে ‘স্মার্ট’ কমোড। কী কী সুবিধা আছে এই স্মার্ট কমোডে? দামই বা কত?

নিজের বাড়ির শৌচাগারে এই কমোড বসালে পরিষ্কার করার কথা একেবারেই ভুলে যাবেন। কারণ, প্রতি বার ব্যবহার করার পর, কমোডের স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির গুণে নিজে নিজেই তা পরিষ্কার হয়ে যাবে। শুধু কি তাই? অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন ‘অ্যালেক্সা’ বা ‘গুগ্‌ল অ্যাসিস্ট্যান্ট’-এর সঙ্গেও যুক্ত করা যাবে এই কমোড। যার ফলে ব্যবহারকারীর নির্দেশ মেনে, কমোডের ঢাকা খোলা বা বন্ধ করার কাজটিও সহজ হবে। কমোড, নানা ধরনের ব্যাক্টেরিয়া, রোগ জীবাণুর আঁতুড়ঘর। তাই স্পর্শ করলেই হাত ধোয়া প্রয়োজন। কিন্তু যদি ভুলে যান হাতে সেই সব ব্যাক্টেরিয়া থেকে যেতে পারে। সেখান থেকে নানা রকম অসুখ হওয়া অবান্তর নয়। এই স্মার্ট কমোড থাকলে এমন আশঙ্কা থাকে না। এ ছাড়াও, স্মার্ট কমোডে রয়েছে অটোম্যাটিক ড্রায়ার, শৌচের জন্য ব্যবহৃত জলের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রক, স্প্রের তীব্রতা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতাও রয়েছে এই কমোডের। কমোডের সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছা না করলে রিমোটও ব্যবহার করতে পারেন। এমন সব সুবিধাযুক্ত এই কমোড যদি বাড়ির শৌচাগারে বসাতে চান পকেটে লাখ দুয়েক টাকা রাখতেই হবে। কারণ, ‘কোহলার’ সংস্থার বিশেষ এই কমোডটির দাম প্রায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।