লক্ষ্য থ্যা.লাসেমিয়া মুক্ত বাংলা রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতালে প্রসূতিদের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা বাধ্যতামূলক

11th January 2024 7:40 am Country News
লক্ষ্য থ্যা.লাসেমিয়া মুক্ত বাংলা রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতালে প্রসূতিদের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা বাধ্যতামূলক


রাজ্যে থ্যালাসেমিয়া-সিকল সেলের মতো রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে রাজ্য সরকার সন্তানসম্ভবা মা এবং সদ্য- তরুণীদের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করেছে। স্বাস্থ্য দফতর এই মর্মে নির্দেশ জারি করেছে। যেখানে হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজগুলিতে গর্ভবতী মহিলাদের বাধ্যতামূলক ভাবে এইচপিএলসি পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে।ব্লক পর্যায়ের স্বাস্থ্য পরিষেবা কেন্দ্র, পিপি ইউনিট প্রভৃতি জায়গাতে গর্ভাবস্থার প্রথম পর্যায়ে নমুনা সংগ্রহ করা হবে। পাশাপাশি কম বয়সি মেয়েদের এই রক্ত পরীক্ষা করানোর কথা বলা হয়েছে। রক্ত পরীক্ষার পরে, সন্তানসম্ভবা মায়ের নাম-ঠিকানা নথিবদ্ধ করতে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এইচপিএলসি পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায়- কেউ থ্যালাসেমিয়া, সিকল সেল প্রভৃতি রোগের জিন বহন করছেন কি না। রোগের জিন বহন করলে সন্তানদের এই রোগগুলিতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা খুব বেশি থাকে। তবে সরকারি এই উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্নও উঠেছে। প্যারামেডিক্যাল অ্যান্ড মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের সভাপতি মনোজ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, এই পরীক্ষা বিয়ের আগে করার উপর জোর দেওয়া উচিত সরকারের। রক্ত পরীক্ষার জন্য গর্ভাবস্থা পর্যন্ত অপেক্ষা ঠিক নয়। তখন রোগের জিন চিহ্নিত হলে অনেক সময় অসুস্থ সন্তানের জন্ম আটকানো যাবে না।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।