TATA NANOর থেকেও কম দামে নতুন গাড়ি আসছে দেখুন এই গাড়িটির আশ্চর্যজনক বৈশিষ্ট্যগুলি

10th January 2024 11:18 am Country News
TATA NANOর থেকেও কম দামে নতুন গাড়ি আসছে দেখুন এই গাড়িটির আশ্চর্যজনক বৈশিষ্ট্যগুলি


স্ল্প মূল্যে কিনতে চান একটি ভালো গাড়ি? তাহলে আপনার জন্য এসে গেছে একটা নতুন গাড়ি। এই গাড়িটির নাম ইয়াকুজা এবং এই গাড়িটি আদতে একটি ইলেকট্রিক গাড়ি। এই গাড়িটির দাম মাত্র ১.৭০ লক্ষ টাকা, যা টাটা ন্যানোর চেয়েও কম। তাই যদি আপনার সাশ্রয়ী মূল্যে একটি ভালো গাড়ি কেনার ইচ্ছা থাকে, তাহলে এটা আপনার জন্য একটা দারুন বিকল্প হয়ে উঠতে পারে।মাত্র ১.৭০ লক্ষ টাকায় আজকাল একটা সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়িও পাওয়া যায়না। তার জায়গায় আপনি পাচ্ছেন একটা নতুন গাড়ি। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক এই গাড়িতে কি কি ফিচার আপনাদের জন্য রয়েছে।ইয়াকুজা ইলেট্রিক গাড়িটির চার্জিং টাইম মাত্র ৬ থেকে ৭ ঘন্টা। একবার চার্জে এটি ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার চলতে পারে। গাড়িটিতে এলইডি ডিআরএল, এলইডি ফগ ল্যাম্প, কানেক্টেড এলইডি টেল ল্যাম্প, বোতল হোল্ডার, পাওয়ার উইন্ডো, ব্রড গ্রিল, ক্রোম ডোর হ্যান্ডেল এবং প্রজেক্টর হেডল্যাম্প সহ নানান সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। এছাড়াও, গাড়িটিতে পুশ স্টart/স্টপ বাটন, সানরুফ, ব্লোয়ার, স্পিকার, ইনস্ট্রুমেন্ট ডিসপ্লে এবং রিভার্স পার্কিং ক্যামেরা রয়েছে।ইয়াকুজা ইলেট্রিক গাড়িটির সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এর দাম। এই দামে এত সুযোগ-সুবিধা সহ একটি গাড়ি পাওয়া খুবই কঠিন। তাই, যদি আপনি শুধুমাত্র শহরে গাড়ি কিনতে চান, তাহলে ইয়াকুজা ইলেট্রিক গাড়িটি অবশ্যই বিবেচনা করুন। তবে, এই গাড়ির কিছু অসুবিধাও আছে। প্রথমত, এই গাড়িটির ইঞ্জিন খুব একটা শক্তিশালী নয়। ফলে, আপনি যদি গাড়ি দ্রুত চালাতে চান, সেটা কিন্তু সম্ভব না। এছাড়াও, এই গাড়িটি আপনি শুধুমাত্র শহরের মধ্যেই চালাতে পারবেন। বাইরে গেলে এই গাড়ি চালানো যাবেনা। অর্থাত্‍, এটা তাদের জন্যই যারা একটা ছোট দূরত্বের জন্য গাড়ি চাইছেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।