অযোধ্যা চলুন, আহারাদি সমেত খরচ কত? প্রচারে নামছে বিজেপি, রামলালা দর্শনের সুযোগ সামান্য টাকাতেই

10th January 2024 10:57 am Country News
অযোধ্যা চলুন, আহারাদি সমেত খরচ কত? প্রচারে নামছে বিজেপি, রামলালা দর্শনের সুযোগ সামান্য টাকাতেই


অযোধ্যা রথে চেপেই লোকসভা নির্বাচনের বৈতরণী পার হতে চায় বিজেপি। তাই গোটা দেশের মতো রাজ্য বিজেপিও বাংলার কর্মী, সমর্থকদের অযোধ্যা নিয়ে যেতে চায় ভোটের আগে। ২২ জানুয়ারি মন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার সময়ে অযোধ্যায় ভিড় চান না বলে আগেই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাজ্য বিজেপি তাই ২৬ জানুয়ারির পরে কর্মীদের নিয়ে যেতে চায় অযোধ্যা। মঙ্গলবার দলের বৈঠকে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পাশাপাশি একটি কমিটিও তৈরি করা হয়েছে। সেখানেই ঠিক হয়েছে বিজেপির উদ্যোগে কেউ অযোধ্যা যেতে চাইলে কত টাকা খরচ হবে।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার নিউ টাউনের একটি হোটেলে দিনভর চলে বিজেপির বৈঠক। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেই বৈঠকেই বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম রামমন্দির দর্শন। যা ঠিক হয়েছে তাতে ২২ জানুয়ারি কর্মীরা দূরের কথা, রাজ্য নেতারাও কেউ অযোধ্যায় যাবেন না। তার বদলে সেই সময়ে নিজের নিজের এলাকার কোনও মন্দিরে উৎসব পালন করবেন। এর পরে নিজেরা যাবেন এবং আরও কর্মী, সমর্থক যাতে যেতে পারেন তার ব্যবস্থাও করবেন।

বিজেপি চায় রেল ওই সময়ে বাংলা থেকে প্রতিদিনই অযোধ্যগামী বিশেষ ট্রেন চালাক। ইতিমধ্যেই ২৬ জানুয়ারির পরে এবং ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে প্রতি লোকসভা আসন পিছু যাতে একটি করে ট্রেন চালানো যায় সে অনুরোধ করা হয়েছে রেলমন্ত্রকের কাছে। বাংলা থেকে কর্মীদের নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে যে কমিটি করা হয়েছে তার মাথায় রয়েছেন তিন রাজ্য নেতা বিশ্বপ্রিয় রায়চৌধুরী, প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঋত্বিক পাল। ঠিক হয়েছে, প্রত্যেক কর্মী সমর্থককে ট্রেন ভাড়া দিতে হবে। দলে কোনও ট্রেন আলাদা করে নেবে না। ট্রেনের টিকিট কাটা হবে। ভাড়া বাবদ দলকে ১,২০০ টাকা দিতে হবে। তাতেই যাতায়াতের ব্যবস্থা হয়ে যাবে। অযোধ্যায় থাকা এবং খাওয়ার খরচ লাগবে না। তার ব্যবস্থা দলের পক্ষেই হবে। জানা গিয়েছে, থাকার জায়গা দেবে রামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। খাওয়ার খরচ বহন করবে বিজেপি। প্রসঙ্গত, এই ট্রেনগুলিতে বিজেপির সহযোগিতা ছাড়াও যে কেউ টিকিট কেটে অযোধ্যা যেতে পারবেন। তবে সে ক্ষেত্রে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা নিজেদেরই করতে হবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।