স্বপ্নপূরণ শামির ভাষা হারিয়েছেন উচ্ছ্বসিত অর্জুন প্রিয় লালাকে অভিনন্দন কোহলির

10th January 2024 9:44 am Country News
স্বপ্নপূরণ শামির ভাষা হারিয়েছেন উচ্ছ্বসিত অর্জুন প্রিয় লালাকে অভিনন্দন কোহলির


কিকেটে বিশেষ অবদানের জন্য অর্জুন পুরস্কার পেলেন বাংলার জোরে বোলার মহম্মদ শামি। মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ক্রীড়াক্ষেত্রে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান পেয়ে উচ্ছ্বাস গোপন করেননি গত বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি।গোড়ালির চোটের জন্য বিশ্বকাপের পর আর খেলতে পারেননি শামি। কবে মাঠে ফিরতে পারবেন, তা-ও নিশ্চিত নয়। তবে গত এক বছরে তাঁর অনবদ্য পারফরম্যান্স স্বীকৃতি পেল। অর্জুন পুরস্কার পাওয়ার পর পুরস্কৃত হওয়ার ভিডিয়ো শামি নিজেই ক্রিকেটপ্রেমীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। সঙ্গে সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ''আজ ভীষণ গর্বিত লাগছে। কারণ মহামান্য রাষ্ট্রপতি আমাকে অর্জুন পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করেছেন। আমি তাঁদের সকলকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, যাঁরা আমাকে এই পর্যন্ত পৌঁছতে সাহায্য করেছেন। ধন্যবাদ তাঁদের, যাঁরা সব সময় আমার খারাপ এবং ভাল সময় পাশে থেকেছেন, আমাকে সমর্থন করেছেন। আমার সব কোচ, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড, সতীর্থদের, পরিবারের সকলকে, ক্রিকেটপ্রেমীদের ধন্যবাদ। সবাই আমার কঠোর পরিশ্রমকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। সব সময় নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি আমার দেশকে গর্বিত করার জন্য। আবার সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। অন্য যাঁরা অর্জুন পুরস্কার পেলেন, তাঁদের অভিনন্দন।'' সমাজমাধ্যমে শামিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অসংখ্য ক্রিকেটপ্রেমী। অভিনন্দন জানিয়ে বিরাট কোহলি লিখেছেন, ''মুবারক হো লালা'' (ভারতীয় দলের সতীর্থেরা শামিকে ডাকেন লালা নামে)।আগে শামি বলেছিলেন, ''এই পুরস্কার আমার স্বপ্ন ছিল। জীবনে অনেকেই এই পুরস্কার জিততে পারেন না। এই পুরস্কারের জন্য আমাকে মনোনীত করার জন্য ভীষণ খুশি। এই পুরস্কার পাওয়া আমার কাছে স্বপ্ন সফল হওয়ার মতো। আগে অনেককে এই পুরস্কার পেতে দেখেছি।'' তিনি আরও বলেছেন, ''এই পুরস্কারই আমার জীবনের সর্বোচ্চ প্রাপ্তি। আমার সব থেকে বড় সাফল্য। অনুভূতি বলে বোঝাতে পারব না। আমি ক্রিকেট ভালবাসি। যখন যা করেছি, সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। নিজের স্বপ্নকে তাড়া করার জন্য পরিবার থেকে যে সাহায্য এবং সমর্থন পেয়েছি, তা অসাধারণ।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।