যতটা প্রয়োজন, তার চেয়ে কম ঘুম হচ্ছে না তো? কোন ৫টি লক্ষণ দেখে তা বুঝবেন?

9th January 2024 9:42 pm Country News
যতটা প্রয়োজন, তার চেয়ে কম ঘুম হচ্ছে না তো? কোন ৫টি লক্ষণ দেখে তা বুঝবেন?


অফিস, বাড়ি, ব্যক্তিগত দায়দায়িত্ব সব সামলে আলাদা করে নিজের জন্য সময় পাওয়া যায় না। নিজেকে সময় দেওয়া, নিজের যত্ন নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হল পর্যাপ্ত ঘুমোনো। ঘুমের উপর নির্ভর করে সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ভালমন্দ। তাই সুস্থ থাকতে ঘুমের কোনও বিকল্প নেই। কিন্তু কাজের চাপে ঘুমই সবচেয়ে কম হয় অনেকের। তার উপর রাত জেগে সিনেমা, সিরিজ় দেখার নেশা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। সব মিলিয়ে ফিট থাকতে যত ক্ষণ ঘুমোনোর কথা, তার চেয়ে কম ঘুম হয়। দীর্ঘ দিন ধরেই এমন চলতে থাকে। কিন্তু অনেকেই বিষয়টি নিয়ে ওয়াকিবহাল নন। ঘুমে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তার ইঙ্গিত দেয় শরীর। কী ভাবে বুঝবেন, পর্যাপ্ত ঘুমোনো প্রয়োজন?

অত্যধিক দু্র্বলতা

 

শারাীরিক পরিশ্রমে ক্লান্তি আসে, দুর্বল লাগে। তবে সেটা যদি মাত্রাতিরিক্ত হয়, তা হলে বিষয়টি নিয়ে ভেবে দেখা জরুরি। পরিশ্রমের কারণে দুর্বল লাগলে একটু বিশ্রাম নিলেও ফিট হয়ে যাওয়া যায়। কিন্তু দুর্বলতা কোনও ভাবেই কাটতে না চাইলে বুঝতে হবে, ঘুমের প্রয়োজন রয়েছে।

মনঃসংযোগের অভাব

 

মানসিক স্থিরতার অভাবে অনেক সময় মনঃসংযোগের অভাব ঘটে। তবে সেটাই একমাত্র কারণ না-ও হতে পারে। অনেক সময় ঘুম কম হলেও কাজে মন বসাতে সমস্যা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে তেমনই কিছু হচ্ছে কি না, তা নিয়ে ভাবতে হবে।

ঘন ঘন খিদে পাওয়া

 

খেতে বিশেষ ভালবাসেন না। তবু ঘন ঘন খিদে পাচ্ছে বলে খেতে হচ্ছে। বার বার খিদে পাওয়ার সমস্যাও কিন্তু কম ঘুমের কারণে হতে পারে। ঘুম কম হলে খিদের হরমোনের বেশি ক্ষরণ হয়। তাই সব সময় খিদে পায়।

 

প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া

 

ঘুম কম হলে যে কোনও রোগ তাড়াতাড়ি বাসা বাঁধে শরীরে। সর্দি-কাশি থেকে অন্য সংক্রমণে খুব দ্রুত আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে মূলত কম ঘুমের কারণে। তাই সুস্থ থাকতে প্রয়োজন মতো ঘুমোতে হবে।

বার বার কফি খাওয়া

 

দিনে একাধিক বার কফি খেয়ে থাকেন অনেকেই। এই অভ্যাসের কারণেও অনেকের ঘুমের সমস্যা হয়। অত্যধিক মাত্রায় ক্যাফিন শরীরে গেলে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে। অনেক ক্ষেত্রে কোনও কারণ ছাড়াই মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া ঘুমের ঘাটতির লক্ষণ হতে পারে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।