প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর গুগল সার্চে সেরা গন্তব্যস্থান হিসেবে উঠে আসছে লাক্ষাদ্বীপের নাম

8th January 2024 7:33 pm Country News
প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর গুগল সার্চে সেরা গন্তব্যস্থান হিসেবে উঠে আসছে লাক্ষাদ্বীপের নাম


মালদ্বীপ বিতর্কে এবার পছন্দের তালিকায় উঠে আসতে শুরু করেছে লাক্ষাদ্বীপ। পর্যটকদের ঘোরার ক্ষেত্রে এতদিন মালদ্বীপ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান ছিল। কিত্নু প্রধানমন্ত্রী লাক্ষাদ্বীপ সফর এবং মালদ্বীপের মন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্যের পর গুগলে লাক্ষাদ্বীপের নাম সার্চ করা যেন বেড়েছে অনেকটাই।ঘটনার পর থেকে স্থানীয় দ্বীপগুলিতে যাওয়ার ক্ষেত্রে আওয়াজ তুলেছেন বলিউড সেলিব্রেটি থেকে ক্রিকেটাররা। এছড়া প্রধানমন্ত্রীর লাক্ষাদ্বীপে পর্যটন করার আবেদনেও সাড়া দিয়েছেন অনেকেই।মালদ্বীপে যাওয়া বিশাল সংখ্যাক বেশিরভাগ পর্যটকই ভারতীয়। প্রধানমন্ত্রীর লাক্ষাদ্বীপ সফরের পর মালদ্বীপের উপমুখ্যমন্ত্রীর তরফে কুরুচিকর মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমন করা করা হয়। যা সেখানকার সরকার এই মন্তব্য ব্যক্তিগত বলে নিজেদের দুরত্ব বজায় রেখেছে।বিদেশমন্ত্রকের তরফে মুসা জামির এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সাফাই দিয়েছেন। এবং ভারত এবং মালদ্বীপের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।এতকিছুর পরেও অনেক ভ্রমন সংস্থাও মালদ্বীপের টিকিট বাতিল করেছেন। তারা এই পরিস্থিতিতে দেশের পাশে রয়েছেন বলে বার্তাও দিয়েছেন। তবে এই ঘটনার পর লাক্ষাদ্বীপে যে পর্যটকদের আগমন আগের থেকে যে আরও বাড়বে সেই বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।