ঘুমের মধ্যে হঠাত্‍পায়ে টান পড়ে এই পরিস্থিতিতে কী করা উচিত জানুন

1st January 2024 10:09 pm Country News
ঘুমের মধ্যে হঠাত্‍পায়ে টান পড়ে এই পরিস্থিতিতে কী করা উচিত জানুন


মাঝরাতে হঠাত্‍ পায়ে টান ধরে অসহ্য যন্ত্রণায় অনেকেরই ঘুম ভেঙে যায়। খুবই অস্বস্তিকর এই যন্ত্রণা কয়েক সেকেন্ড বা মিনিট ধরে চলতে পারে। শোয়ার ভুলে হয়তো এমনটি হয়, এই ভেবে অনেকেই কঠিন এই সমস্যাটি এড়িয়ে যান।যদিও ঘুমের মধ্যে টান লাগার সমস্যাটি বেশ স্বাভাবিক ঘটনা। আবার বয়সের সঙ্গে সঙ্গেও এর প্রবণতা বাড়ে।তবে গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষের চেয়ে নারীর ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা দেয়।

পায়ে টান ধরার কারণ কী?

সাধারণত শরীরে জল অভাবে পেশিতে টান লাগে। এছাড়াও শরীরে কিছু জরুরি পুষ্টিগুণ ও ভিটামিনের অভাবেও এমনটি হয়ে থাকে।

তবে প্রায়ই যদি পায়ে টান লাগার ঘটনা ঘটে তাহলে তা মারাত্মক রোগের লক্ষণ হতে পারে। যেমন-

> রক্ত জমাট বাঁধা হৃদরোগের আশঙ্কা

> লিভার সিরোসিস

> ডায়াবেটিস

> কিডনির সমস্যা

> পার্কিনসন্‌স ডিজিজ

> ক্যানসার চিকিত্‍সায় কেমোথেরাপির প্রভাব ইত্যাদি।

পায়ে টান ধরার সমস্যার প্রতিকার।     সাধারণত পায়ে টান লাগা নিয়ে খুব বেশি দুশ্চিন্তার প্রয়োজন নেই। এমনিতেই এ ধরনের ব্যথা সেরে যায়। এছাড়াও এটি কমানোর কোনো ওষুধ নেই।

তবে অসহ্য যন্ত্রণা করলে বরফ বা হালকা গরম জলে পা ডুবিয়ে রাখলে ব্যথা কমে যাবে। একইসঙ্গে হালকা ম্যাসাজ করলেও পায়ের পেশির যন্ত্রণা কমতে পারে।

> পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেতে হবে। দিনে অন্তত ৭-৮ গ্লাস।

> মদ্যপান ও ক্যাফেইন কম গ্রহণ করুন।

> ঘুমানোর সময় সতর্ক হন। পায়ের নীচে বালিশ রেখে পা উঁচুতে তুলে রাখতে পারেন।

> ঘুমাতে যাওয়ার আগে পায়ের পেশি সামান্য স্ট্রেচ করে নিন।

> শরীরচর্চার সময় পায়ের পেশির দিকে মনযোগ দিন।

তবে পেশিতে টান লাগার ঘটনা প্রায়ই হয় ও অতিরিক্ত ব্যথা বা চামড়ার রং বদলে যায়, তাহলে দ্রুত চিকিত্‍সকের পরামর্শ নিন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।