আরও একটি নতুন বিশ্বকাপ চালু করতে চলেছে ফিফা, কবে থেকে শুরু? কোথায় হবে?

19th December 2023 9:08 am Country News
আরও একটি নতুন বিশ্বকাপ চালু করতে চলেছে ফিফা, কবে থেকে শুরু? কোথায় হবে?


গত বারের বিশ্বকাপ ফুটবল শেষ হওয়ার সবে এক বছর পূর্তি হয়েছে। এর মধ্যেই আর একটি বিশ্বকাপের ঘোষণা করে দিল ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা ফিফা। ২০২৫ সাল থেকে ক্লাব বিশ্বকাপ নতুন রূপে চালু হতে চলেছে। চার বছর অন্তর হবে এই প্রতিযোগিতা।

এই মুহূর্তে ক্লাব বিশ্বকাপের খেলা চলছে। কিন্তু এখন এই প্রতিযোগিতা হয় প্রতি বছর। বিশ্বের পাঁচটি মহাদেশের আটটি দল এই খেলায় অংশ নেয়। ইউরোপ এবং লাতিন আমেরিকার সেরা দল খেলা শুরু করে সেমিফাইনাল থেকে। ক্লাব বিশ্বকাপে মঙ্গলবারই নামছে গত বারের উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ী ম্যাঞ্চেস্টার সিটি।

 

কিন্তু ২০২৫ সাল থেকে ক্লাব বিশ্বকাপ আমূল বদলে যেতে চলেছে। যে ভাবে ফুটবল বিশ্বকাপ খেলা হয়, সে ভাবেই ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজিত হবে। সৌদি আরবের জেড্ডায় ফিফার কাউন্সিল বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন রূপে প্রথম ক্লাব বিশ্বকাপ হবে আমেরিকায়। ২০২৫-এর ১৫ জুন থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলবে এই প্রতিযোগিতা।

ক্লাব বিশ্বকাপে এশিয়া থেকে ৪টি, আফ্রিকা থেকে ৪টি, উত্তর আমেরিকা থেকে ৪টি, দক্ষিণ আমেরিকা থেকে ৬টি, ওশিয়ানিয়া থেকে ১টি এবং ইউরোপ থেকে ১২টি দল খেলবে। পাশাপাশি যে দেশে প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হচ্ছে সেই দেশ থেকে একটি ক্লাব খেলবে। বিশ্বকাপের মতোই আটটি গ্রুপের প্রতিটিতে চারটি করে দল থাকবে। প্রথম দু’টি দল প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে উঠবে। কী ভাবে যোগ্যতা অর্জন হবে তা পরে জানানো হবে।

 

তবে পেশাদার ফুটবলারদের সংস্থা নতুন এই প্রতিযোগিতায় খুশি নয়। তাদের দাবি, এতে ফুটবলারদের উপর আরও চাপ পড়বে। কারণ ম্যাচের সংখ্যা বাড়বে। ফুটবলারেরা সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়বেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।