কিউআর কোড-এর ব্যবস্থা চালু করতে চলেছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।

16th December 2023 11:12 pm Country News
 কিউআর কোড-এর ব্যবস্থা চালু করতে চলেছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।


সর্বভারতীয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ধাঁচে এবার উচ্চমাধ্যমিকের প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তায় সিরিয়াল নম্বর এর ব্যবহার হবে। এই সিরিয়াল নম্বর ব্যবহার করা হবে ‘ইউনিক কিউআর কোড’-এর মাধ্যমে।

১৪ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নপত্রের উপর নজরদারি ও নিরাপত্তার জন্য এ বছর প্রথম আধুনিক এনক্রিপ্টেড ‘কিউআর কোড’ বা ‘বার কোড’-এর ব্যবস্থা চালু করতে চলেছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। এই বিশেষ পদ্ধতিতে সংসদ প্রশ্নপত্রের যাবতীয় তথ্য নিজেদের নজরদারির মধ্যে রাখতে পারবে। পরীক্ষা চলাকালীন বা তার আগে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তা সংসদ সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। সংসদ সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বলেন, “উচ্চমাধ্যমিকে নতুন ব্যবস্থা হিসাবে প্রশ্নপত্রে বিশেষ সিরিয়াল নম্বর ব্যবহার করা হচ্ছে যা এ বছর প্রথম। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ও জাতীয় স্তরের পরীক্ষার সঙ্গে সমঞ্জস্য রেখেই এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”

বর্তমানে উচ্চমাধ্যমিকে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয় ৬০ বিষয়ের ওপর তার মধ্যে ১৩ ভোকেশনাল বিষয়‌ও রয়েছে। প্রথম পত্র, দ্বিতীয় পত্র , গণিত ও বিজ্ঞান বিভাগ-সহ ১৪টি বিষয়কে বেছে নেওয়া হয়েছে এই নজরদারির জন্য। প্রত্যেকটি প্রশ্নপত্রের ডান দিকের মাথায় একটি সিরিয়াল নম্বর বা ‘ইউনিক কিউআর কোড’ থাকবে। এই কোড সাধারণত যে কোনও মোবাইল বা ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেট ব্যবহার করে স্ক্যান করা যাবে না, এটি বিশেষ সফটওয়্যারের মাধ্যমে এই তথ্য জানা যাবে বলে সংসদে তরফ থেকে জানানো হয়েছে। আর সংসদের তরফ থেকে এর জন্য নির্দিষ্ট ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়েছে।

 

পাশাপাশি উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে যে সমস্ত পরীক্ষার্থী বিশেষ ভাবে সক্ষম বা রাইটার নিয়ে পরীক্ষা দিতে চান তাদের জন্যকী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে তাঁর নিয়মাবলি প্রকাশ করা হয়েছে সংসদের তরফ থেকে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।